Skip to main content

NBI ! ৪৬ বছরে পদার্পণ করল আর আর আগরওয়াল জুয়েলার্স


কলকাতা (৯ সেপ্টেম্বর '২৩):- ভারতের প্রসিদ্ধ জুয়েলারি কোম্পানী আর আর আগরওয়াল জুয়েলার্স সম্প্রতি জুয়েলারি ইণ্ডাস্ট্রীতে ৪৬ বছর পূর্ণ করেছে। এই খুশিতে শনিবার আর আর আগরওয়াল জুয়েলার্স নিজেদের ক্যামাক স্ট্রিট শোরুমে কেক কেটে ধুমধাম করে আনন্দ করল।


৪৬ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আর আর আগরওয়াল

জুয়েলার্স গহনা বানাবার খরচের উপর ৫০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করেছে। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অনবদ্য অফার চলবে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।




বলে রাখা ভালো, বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানকে আরো মনোলোভা করে তুলতে নতুন ভাবে বিবাহ সংক্রান্ত গহনা সংগ্রহও লঞ্চ করা হয়েছে।


কুন্দন-এর গহনা, সোনার সাধারণ বা প্রাচীন গহনা, হীরের পোলকী গহনা, হীরের অনন্য সংগ্রহ, জেমস স্টোন এবং সোনার মুদ্রার অনন্য সংগ্রহ পাওয়া যাবে একই ছাদের তলায়। আর আর আগরওয়াল জুয়েলার্সের গহনার নকশা নিজেদের প্রতিষ্ঠানেই বানানো হয় ফলে এই নকশা অন্য দোকানে পাওয়া সম্ভব নয়। সব থেকে বড়ো কথা এদের গহনা এতটাই টেকসই যে এটা ২৫ - ৩০ বছর ব্যবহার করা যায়।



আনন্দের মুহূর্তে সংস্থার নির্দেশক আর আর আগরওয়াল জানিয়েছেন, " এই জুয়েলারি ইণ্ডাস্ট্রীতে আমাদের এতটা সুনামের পেছনে রয়েছে কড়া পরিশ্রম ও সততা। আমার ছেলে রেবতীরমণ আগরওয়াল আজ থেকে ৩০ বছর আগে আমার কোম্পানির দায়িত্বভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল, আজকের দিনে আমাদের ব্যবসার আরো সমৃদ্ধি হয়েছে।

এখন আমার নাতি ঋষভ আগরওয়ালও ৩ বছর ধরে এই ব্যবসা দেখাশোনা করছে। আশা করি ও এই ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।"


উনি আরো বলেছেন, "এই মুহূর্তে কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট, বড়বাজার, সল্টলেক, রৌরকেল্লা ও জয়পুরে আমাদের ৫ টা শোরুম আছে। আর কিছু দিনের মধ্যে শিলিগুড়িতেও আর একটা শোরুম খোলার কথা চলছে।"


এদিন এই আনন্দজনক মুহূর্তে নির্দেশক রেবতীরমণ আগরওয়াল এবং অপর নির্দেশক ঋষভ আগরওয়াল সহ একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।


Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।