গ্রীষ্মের দাবদাহের পর একটু বর্ষায় মানুষরা স্বস্থি পেলেও বর্ষায় যারা পথের ধারে,স্টেশন ,ঝুপড়ির পাশে থাকেন ঠিক এই সকল অসহায় দুঃস্থ মানুষের পাশে এগিয়ে এলেন মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথ গঞ্জের নিবাসী কিংশুক সরকার ওনার সহধর্মিণী কৃষ্ণা সরকার ব্যানার্জী ও তাঁদের সুযোগ্য সুপুত্র ঋতব্রত সরকার এবং শ্রীপদ দাস ও তাঁর সুপুত্র প্রশান্ত দাস এবং শ্রী কমল হালদার ও শ্রীমতি সাথী হালদারের সুযোগ্য পুত্র কৌশিক হালদার।এই পরিবার বর্গ স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের মাধ্যমে সোদপুর ও পার্শ্ববর্তী স্টেশন ,পথের ধারে মানুষ,ঝুপড়ি বাসীদের হাতে তুলে দিলো বর্ষাতি,ছাতা, ডাব,বস্ত্র ও ওষুধ।ওনাদের এই কাজটি প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত গঠনের একটি উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা পালন করলো।
নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...
Comments
Post a Comment