Skip to main content

NBI // ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের ৪৬ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান !

নিজস্ব প্রতিবেদক _ 
ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের ৪৬ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান হয়ে গেল রবীন্দ্র সদন প্রেক্ষাগৃহে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী আত্মবোধানন্দ। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

প্রতি বছরের মতো এবারও কলকাতা, যাদবপুর, বর্ধমান, রবীন্দ্র ভারতী এবং পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্র-ছাত্রীকে স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে এবারের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় সফল ক্লাব সদস্যদের ছেলে মেয়ে ও নাতি নাতনীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপককে স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবার দক্ষিণারঞ্জন বসু স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয় প্রবীণ সাংবাদিক অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে। অমিত চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার পেলেন উদীয়মান অ্যাথলিট সাগর রায়। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের সভাপতি প্রান্তিক সেন সংস্থার বিভিন্ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরেন। 

বিশেষ অতিথির ভাষণে স্বামী আত্মবোধানন্দ মহারাজ বলেন, সাংবাদিকতার ছাত্র ছাত্রীদের এই স্মৃতি পুরস্কার প্রদান তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে উৎসাহিত করবে। 

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের সম্পাদক ইমন কল্যাণ সেন। 

অনুষ্ঠান মঞ্চে ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের পত্রিকা 'সাংবাদিক' এর বার্ষিক অনুষ্ঠান সংখ্যা প্রকাশ করেন প্রবীণ সাংবাদিক শম্ভু সেন।

শেষ পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য্য।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নন্দিনী লাহা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যালকাটা জার্নালিস্টস ক্লাবের দুই সহ সভাপতি পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী ও নরেশ মণ্ডল, কোষাধ্যক্ষ সাধনা দাস বসু, দুই সহ সম্পাদক অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য ও সঞ্জয় হাজরা এবং ক্লাব সদস্য ও তাঁদের পরিবারের লোকজন।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।