Skip to main content

NBI // আমার জীবন

ডিজিটাল ডেস্ক :- 
আমাকে অনেকেই আমার আত্মজীবনী লিখতে বলতো। আমি বলতাম, আমার কী এমন জীবন যে আত্মজীবনী লিখবো ! 

আমার জন্ম হাওড়া জেলার বালি গ্রামে। ১৯৪৮ সালের ১৫ই আগস্ট। হ্যাঁ, ১৫ই আগস্ট !

বালি কিন্তু খুব বড়ো গ্রাম, রেললাইনের পূর্বদিকে গঙ্গা ওব্দি আর পশ্চিম দিকে বোসকাটি আনন্দ নগর ছাড়িয়ে, জয়পুর বিল ছাড়িয়ে দিল্লি রোড ওব্দি, আবার বালি দুর্গাপুর ছাড়িয়ে ঠাকুরানি চক ছাড়িয়ে বেলানগর ওব্দি। 

সেইসময় বালি ছিলো একটা এঁদো গ্রাম, অনেক মাঠঘাট, প্রচুর গাছপালা ঝোপঝাড় বনজঙ্গল, হোগলা ঘাস, নল ঘাস, প্রচুর পুকুর ডোবা ঝিল ছিলো, অনেক সাপখোপ ছিলো, অনেক শিয়াল বনবিড়াল মেছো বিড়াল ভাম এইসব ছিলো, পাখি প্রজাপতি ফড়িং ব্যাঙ ছিলো। এখন সেইসবের কথা বললে গল্পকথা মনে হবে। 

কেন কী কারণে জানি না, একেবারে ছেলেবেলা থেকেই আমার খুব মাঠঘাটে ঝোপঝাড়ে বনে জঙ্গলে পুকুর ধারে ডোবার ধারে ঝিলের ধারে ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে, পাখি প্রজাপতি ফড়িং গাছপালা সাপ ব্যাঙ মাছ এইসব দেখতে ভালো লাগে। 

অচেনা কিছু দেখলেই সেখানকার লোকজনকে জিজ্ঞেস করে করে সেইসবের নাম জেনে নিতাম। এইভাবে দামা পাখি, ফিতে বুলবুলি পাখি, উদয়কাল সাপ, খড়িচুর সাপ, ধানফুলি মাছ, স্বর্ণচাঁদা মাছ, বনচাঁড়াল গাছ, রুদ্রজটা লতা এইসবগুলো জানতে পারি, আরও জানতে ইচ্ছে করে, আরও ঘুরতে ইচ্ছে করে, আরও দেখতে ইচ্ছে করে। 

একদিন রঘুনাথপুর ছাড়িয়ে বোসিপোতায় চলে যাই, অজস্র বাবুই পাখি ওখানকার তালগাছগুলোয় আশ্চর্য বাসা তৈরি করছে, ঘন্টার পর ঘন্টা বসে দেখি। এখন আমার বয়েস ছিয়াত্তর বছর। পরশু দিন সুন্দরবন যাবো। 

এইসব করতে গিয়ে পড়াশোনা বিশেষ হলো না, কোনো রকমে ইস্কুলটা পেরোতে পেরেছি ! সারাটা জীবন তো এই করেই কাটালাম, ভাবলাম এইটাই তো আমার জীবন, এইসবই তাহলে লিখি। একটু একটু করে লিখতে শুরু করলাম। 

বনগাঁয় আমার এক খুব আপন বন্ধু থাকে, বিভাস রায়চৌধুরী। ও বললো, এটা আমি ছাপবো, বই করবো। এইভাবেই 'আমার জীবন' বইটা বেরোলো। 

আমি খুব অবাক হয়ে গেছি, ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে তিন শো কপি বিক্রি হয়ে গেছে ! বইটা কেউ কিনতে চাইলে কনক মণ্ডলকে এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করলে কনক বাড়িতে বইটা পাঠিয়ে দেবে : 73841 72404.

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI // বেলগাছিয়ায় ঐতিহ্যবাহী খুঁটি পুজো—২০২৬ দুর্গাপুজোর সূচনা আনুষ্ঠানিকভাবে।।

কলকাতা: রথযাত্রার পবিত্র তিথিকে সামনে রেখে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া অঞ্চলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল ঐতিহ্যবাহী “খুঁটি পুজো”। বেলগাছিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পর্ব। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ নির্মাণের শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে খুঁটি পুজো বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে পূজার আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি ও উৎসাহের পরিবেশে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা , সম্পাদক অভিষেক দাস,কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁদের পাশাপাশি এলাকার বহু বাসিন্দা এই শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং দুর্গোৎসবের সূচনায় সামিল হন।পুজোর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা দুর্গার আশীর্বাদ কামনা করে উদ্যোক্তারা জানান, এই খুঁটি পুজোর মাধ্যমেই এবারের দুর্গোৎসবের পথচলা শুরু হল। তাঁরা আশাবাদী, সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণে আসন্ন দুর্গাপুজো আরও সাফল্যমণ্ডিত ও বর্ণময় হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মঙ্গল, শান্তি...

NBI // সাফল্যের ৬০ দিন পূর্তি: 'পোড়া বাঁশি'র উদযাপনে পরিচালক-অভিনেতাদের বর্ণাঢ্য সমাবেশ।।

ডিজিটাল ডেস্কঃ  সাম্প্রতিক টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে "তারামা মোশন পিকচারস" ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস নিবেদিত পরিচালক, শুভম দাস পরিচালিত মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমা"পোড়া বাঁশি"র 60 Days celebration party অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রোডাকশন হাউসের নিজস্ব অফিসে। কেক কেটে সেলিব্রেশানের শুভ সূচনা হয়।  দ্বিতীয় পর্যায়ে বিশিষ্ট গুণীজনদের সহিত অন্যান্য পরিচালক, টেকনিশিয়ানস ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিশেষ সম্বর্ধনার দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আড্ডা খাওয়া দাওয়া এবং শিল্পীদের নাচ-গানের মধ্য দিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের জমজমাট সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোগ্রাহী হয়ে উঠে।   উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট পরিচালক স্বপন সাহা, বিশিষ্ট অভিনেত্রী অনামিকা সাহা, পরিচালক শুভম দাস, শাস্ত্রীজি, প্লেব্যাক সিঙ্গার-অর্ণব ব্যানার্জি, গুরিয়া, কোরিওগ্রাফার-রত্না, পরিচালক কাঞ্চন নাগ, অনসূয়া সামন্ত, সরস্বতী দাস,রুনা (রায়না বূটিক), হাউস ইনচার্জ-রিনা দাস, হাউস ম্যানেজার-পবিত্র হালদার।  হিরোইনদের মধ্যে উপস্থিত ছিল-বনশ্রী, মৌপ্রিয়া, পৌলোমী, সিউ, সোনু,  অনসূয়া। অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ‍্যে উপস্থিত ছিল-মাধব,সৌমক, সুপ্রভাত...