Skip to main content

NBI // হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড নতুন অগ্রগতির পথে

কলকাতা, ৩১শে মার্চ, ২০২৫  
হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড ভারতের চাল ও ভোজ্য তেল উৎপাদনকারীদের জগতে শীর্ষস্থান আগেই দখল করেছিল। এবার  শতাব্দী প্রাচীন অন্যতম এই শীর্ষ সংস্থা হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড (HVL) কেএস অয়েল লিমিটেডের হলদিয়ায় অবস্থিত  কারখানা কিনে নিল। এই নতুন কারখানার মাধ্যমে হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড( HVL)-এর উৎপাদন ক্ষমতা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পাবে। 



হলদিয়া বন্দরে অবস্থিত এই কারখানাটি প্রতিদিন ৫০০ টন তেল পরিশোধন করার ক্ষমতা সম্পন্ন।  যা  শুধু এই রাজ্য নয়,পূর্ব ভারতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার লভ্যাংশকে নিজেদের দিকে নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।  এবং এর ফলে কোম্পানির বার্ষিক আয় ১,৫০০ কোটি টাকারও বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে   হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড এই  কোম্পানিটি কেনার  প্রয়োজনীয় অনুমতি পেয়েছে। বিদায়ী আর্থিক বছরের ২০ মার্চ ২০২৫-এ   হালদার ভেঞ্চার লিমিটেডের  এই  নতুন কোম্পানি কেনাকে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ইনস্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল (NCLAT) অনুমোদন করেছে।  




২৮ মার্চ ২০২৫-এ কেএস অয়েলের  কর্মকর্তারা কারখানার দায়িত্ব হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড-এর হাতে তুলে দিয়েছেন। এই নতুন কেনা কারখানার সঙ্গে ৩৩,০০০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন তেল সংরক্ষণাগার ও আধুনিক প্যাকেজিং ইউনিট রয়েছে।যা পরিকাঠামোগত ভাবে হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড-কে আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধিশালী করবে। 
কারখানাটি বন্দরের নিকটে। 



এরফলে সরাসরি আমদানি করা অপরিশোধিত তেল নিয়ে আসা সহজে সম্ভব হবে, ট্যাঙ্কার ভাড়া ও পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে। যার প্রভাব পড়বে সামগ্রিক আয় ব্যয়ের তালিকায়।  সড়ক, জলপথ ও রেলপথে  সংযোগ সুগম থাকায় পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও বাংলাদেশেও তেল সরবরাহ করার কাজটি সহজ করে তুলবে।



এই অধিগ্রহণ সম্পর্কে হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর (MD) শ্রী কেশব কুমার হালদার বলেছেন,"এই নতুন কারখানাটি আমাদের ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য একটি বড় সুযোগ। আমরা কম খরচে এখন আরও বেশি উৎপাদন করতে পারব এবং বাজারে আমাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারব। বন্দর নিকটবর্তী হওয়ার সুবিধা এবং উন্নত পরিশোধন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা ভালো মানের তেল সরবরাহ করব এবং গ্রাহকদের আরও ভালো পরিষেবা দিতে পারব। আমাদের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদী ভাবে ব্যবসার সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগকারীদের বেশি পরিমান লাভ প্রদান করা।"




এই প্রকল্পটি কর্মসংস্থানের দরজা নতুনভাবে খুলে দিচ্ছে। একসঙ্গে  ৫০০-র বেশি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কম খরচে আরও দক্ষভাবে কাজ করা আমাদের লক্ষ্য। যার ফলে হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড ভারতের ভোজ্য তেলের বাজারে  নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করে তুলতে সমর্থ হবে।



হলদিয়া কারখানাটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পরিচালিত। যা শুধু ভালো মানের তেল তৈরি করতে সাহায্য করবেই না, বর্জ্য কমাবে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াবে। হালদার ভেঞ্চার লিমিটেড দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে চলেছে। তাদের এই অগ্রগতিতে হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (HDA) ও হলদিয়া পোর্ট ট্রাস্ট তাদের সঙ্গী। এই তিন সংস্থা উন্নত ব্যবসার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করছে।

For more information, please visit https://halderventure.in

or contact Subhajit Banerjee at subhajit@halderventure.in.

****


Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।