Skip to main content

NBI /// দুস্থদের পাশে সমাজসেবী পরিবার !

নিজস্ব প্রতিবেদক,নদিয়া :- 
দুর্গাপুজো মানেই আমাদের জীবনে আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের রঙ। ঢাকের বাদ্যি, আলোর ঝলক, প্যান্ডেলের ভিড়—এসবের মধ্যে আমরা নতুন উদ্যমে ভরে উঠি। কিন্তু বন্ধুজন, আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের কাছে পুজো মানেই শুধু ক্ষুধা, বঞ্চনা আর অবহেলা।কোথাও বৃদ্ধ মা-বাবা একাকী পড়ে আছেন বৃদ্ধাশ্রমে,
কোথাও নবজাতককে ফেলে রাখা হচ্ছে পথের ধারে,কোথাও পথশিশুরা ভিক্ষার থালা হাতে দাঁড়িয়ে আছে প্যান্ডেলের সামনে,
আবার কোথাও নির্যাতিত নারী সমাজের চোখে মুখ দেখাতে না পেরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন একাকীত্বে।
আমরা প্রায়ই বলি—কেউ অনাথ হয়ে জন্মায় না। সমাজই তাকে অনাথ বানিয়ে তোলে।তবুও আশা আছে।এই সমাজেই এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা সারা বছর নিরলসভাবে সেবামূলক কাজে যুক্ত থাকেন। আর পুজোর প্রাক্কালে তাঁদের সেবার আলো আরও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
কেউ নিজের সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে পথ শিশুর হাতে নতুন জামা দেন,
কেউ অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে অসহায়ের মুখে খাবার তুলে দেন,
কেউ নিজের সামান্যটুকু দিয়েই মানবতার প্রদীপ জ্বালান।তাঁরা জানেন—সেবার মধ্যে যে আনন্দ আছে, সেই আনন্দ কোনো উৎসবের চেয়ে কম নয়। সেবাতেই ঈশ্বরের আসল রূপকে খুঁজে পাওয়া যায়।, এই পুজোর প্রাক্কালে এগিয়ে এসেছেন কিছু সমাজ সেবক - সেবিকা তাঁদের কাছে দেবী দুর্গার আরাধনা কেবল প্রতিমার সামনে নয়,বরং প্রতিটি অসহায় মানুষের চোখের জল মুছে,প্রতিটি ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে,প্রতিটি পথশিশুর মুখে হাঁসি ফোটানোর মধ্য দিয়েই তাঁদের সেবার ব্রতী হয়েছেন। তাঁরা হলেন সজল অধিকারী তাঁর মাতা সরযূবালা অধিকারী।গ্রাম: বগুলা স্টেশন পাড়া,পোস্ট: বগুলা, থানা: হাঁসখালি,জেলা:নদীয়া। পিন:৭৪১৫০২.পশ্চিমবঙ্গ।
দ্বিতীয় জন শ্যামলী অধিকারী রায় তাঁর স্বামী মনোজ অধিকারী গ্রাম:গাংনী,পোস্ট:বাদকুল্লা,জেলা: নদীয়া,থানা: তাহেরপুর,পিন:৭৪১১২১,এবং অপরজন দীনবন্ধু মন্ডল ও তাঁর সুযোগ্য সন্তান দীপক মন্ডল।গ্রাম:গৌরনগর,পোস্ট: বগুলা,থানা: হাঁসখালি,জেলা:নদীয়া,পিন:৭৪১৫ - ০২.পশ্চিমবঙ্গ। এই পরিবাররা দুর্গাপুজোতে দুঃস্থ , অসহায়দের জন্য বস্ত্র ,খাদ্য আর খাবারের ব্যবস্থা করেছেন।এই কাজটি প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের কাজের একটি অংশ। আমাদের এই তিন পরিবারের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা।এই পরিবারের সদস্যরা যেনো এই ভাবেই সমাজে সমাজ সেবক হিসেবে গণ্য হয় উঠতে পারেন,তাঁদের সকলের জন্য আমাদের এই প্রার্থনা রইলো।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।