নিজস্ব প্রতিবেদক,নদিয়া :-
দুর্গাপুজো মানেই আমাদের জীবনে আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের রঙ। ঢাকের বাদ্যি, আলোর ঝলক, প্যান্ডেলের ভিড়—এসবের মধ্যে আমরা নতুন উদ্যমে ভরে উঠি। কিন্তু বন্ধুজন, আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের কাছে পুজো মানেই শুধু ক্ষুধা, বঞ্চনা আর অবহেলা।কোথাও বৃদ্ধ মা-বাবা একাকী পড়ে আছেন বৃদ্ধাশ্রমে,
কোথাও নবজাতককে ফেলে রাখা হচ্ছে পথের ধারে,কোথাও পথশিশুরা ভিক্ষার থালা হাতে দাঁড়িয়ে আছে প্যান্ডেলের সামনে,
আবার কোথাও নির্যাতিত নারী সমাজের চোখে মুখ দেখাতে না পেরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন একাকীত্বে।
আমরা প্রায়ই বলি—কেউ অনাথ হয়ে জন্মায় না। সমাজই তাকে অনাথ বানিয়ে তোলে।তবুও আশা আছে।এই সমাজেই এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা সারা বছর নিরলসভাবে সেবামূলক কাজে যুক্ত থাকেন। আর পুজোর প্রাক্কালে তাঁদের সেবার আলো আরও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
কেউ নিজের সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে পথ শিশুর হাতে নতুন জামা দেন,
কেউ অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে অসহায়ের মুখে খাবার তুলে দেন,
কেউ নিজের সামান্যটুকু দিয়েই মানবতার প্রদীপ জ্বালান।তাঁরা জানেন—সেবার মধ্যে যে আনন্দ আছে, সেই আনন্দ কোনো উৎসবের চেয়ে কম নয়। সেবাতেই ঈশ্বরের আসল রূপকে খুঁজে পাওয়া যায়।, এই পুজোর প্রাক্কালে এগিয়ে এসেছেন কিছু সমাজ সেবক - সেবিকা তাঁদের কাছে দেবী দুর্গার আরাধনা কেবল প্রতিমার সামনে নয়,বরং প্রতিটি অসহায় মানুষের চোখের জল মুছে,প্রতিটি ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে,প্রতিটি পথশিশুর মুখে হাঁসি ফোটানোর মধ্য দিয়েই তাঁদের সেবার ব্রতী হয়েছেন। তাঁরা হলেন সজল অধিকারী তাঁর মাতা সরযূবালা অধিকারী।গ্রাম: বগুলা স্টেশন পাড়া,পোস্ট: বগুলা, থানা: হাঁসখালি,জেলা:নদীয়া। পিন:৭৪১৫০২.পশ্চিমবঙ্গ।
দ্বিতীয় জন শ্যামলী অধিকারী রায় তাঁর স্বামী মনোজ অধিকারী গ্রাম:গাংনী,পোস্ট:বাদকুল্লা,জেলা: নদীয়া,থানা: তাহেরপুর,পিন:৭৪১১২১,এবং অপরজন দীনবন্ধু মন্ডল ও তাঁর সুযোগ্য সন্তান দীপক মন্ডল।গ্রাম:গৌরনগর,পোস্ট: বগুলা,থানা: হাঁসখালি,জেলা:নদীয়া,পিন:৭৪১৫ - ০২.পশ্চিমবঙ্গ। এই পরিবাররা দুর্গাপুজোতে দুঃস্থ , অসহায়দের জন্য বস্ত্র ,খাদ্য আর খাবারের ব্যবস্থা করেছেন।এই কাজটি প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের কাজের একটি অংশ। আমাদের এই তিন পরিবারের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা।এই পরিবারের সদস্যরা যেনো এই ভাবেই সমাজে সমাজ সেবক হিসেবে গণ্য হয় উঠতে পারেন,তাঁদের সকলের জন্য আমাদের এই প্রার্থনা রইলো।
Comments
Post a Comment