১৯৮২ সালে তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের আমলে অর্থমন্ত্রী শ্রী যুক্ত প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী দক্ষিণ ২৪পরগনার সরিষার এই কলেজের শিলান্যাস করেছিলেন।এই কলেজের নাম ছিলো মাইনরিটি পি.জি. বি.টি. কলেজ।
এই কলেজের প্রতিষ্ঠাতা,কলেজের সেক্রেটারী জবাব আব্দুর রসিদ এবং তাঁর পত্নী শাকিলা বেগম।
প্রথমে এই কলেজে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বীকৃত পি.জি.বি.টি. কোর্স করানো হতো।সংবিধানের আর্টিকেল - ৩০ কে মান্যতা দিয়ে এই কলেজ পরে ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট এর একমাত্র মাইনরিটি বি.এড. কলেজের সরকারী অনুমোদিত কলেজের স্বীকৃতি পায় ও কলেজটি স্থানান্তরিত হয়।
বি.এড.কলেজ সরিষা.গ্রাম: হাসিম নগর,পোস্ট অফিস: হাসিম নগর,
থানা: ফলতা
জেলা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা
পিন:৭৪৩৫১৩.
২০০২ - ২০০৩ সেশন থেকে এই কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।বি.এড. পড়ানোর অধিকার ছিনিয়ে নেয় জনাব প্রিন্সিপাল আবদুর জনাব প্রিন্সিপাল আবদুর রশিদের নেতৃত্বে।প্রচুর ছাত্র - ছাত্রী এই কলেজ থেকে বি.এড পাশ করে পরবর্তী কালে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজ করেছে,কেউ বা কলেজের শিক্ষকতা করেছে।কলেজের শিক্ষক - শিক্ষিকারা এবং শিক্ষা কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আদেশে বিভিন্ন শিক্ষা মূলক সরকারি সেমিনার বা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
একাধারে সরকারি কর্মী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গভর্নমেন্ট স্বীকৃত কলেজ হওয়ার জন্য ওনারা তিন বছরের অধিক সরকারি বেতন পেয়েছেন।এরপর ২০০৫-২০০৬ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্টের বি.এড. কলেজ গুলি জাতীয় শিক্ষানীতির আইনে জড়িয়ে যায়।এই সময়ে এই কলেজ ঐ জাতীয় শিক্ষানীতির আইন থেকে বেরোতে পারেনি। এরপরে সরকারি বিভিন্ন আইনের জটিলতার এই কলেজ বন্ধ হলো এবং এই কলেজের প্রতিটি কর্মচারীর বেতনও বন্ধ হয়ে যায়।
বিভিন্ন কারণে সরকারি নিয়মের জটিলতার যে জটিলতার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনমতেই দায়ী ছিলো না,তবুও কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজ খোলার জন্য বারংবার বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেছেন কিন্তু ব্যার্থও হয়েছেন। এই কলেজ বন্ধ হওয়ার ফলে,কলেজ স্টাফদের হঠাৎ মাথায় বজ্রাঘাত হয় এর ফলে তাঁদের সামনে নেমে আসে এক অন্ধকারময় ভবিষ্যৎ যা শুকনো কুয়োয় পরে থাকা এক অনিশ্চিয়তাময় জীবন।
এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রিন্সিপাল শ্রী আবদুল রশিদ মহাশয় কে সহযোগিতা করার জন্য এবং ওয়েস্টবেঙ্গলে একমাত্র সাহায্যপ্রাপ্ত মাইনরিটি বি.এড.কলেজটিকে খোলার জন্য (যা এখন বন্ধ হয়ে রয়েছে)এগিয়ে আসে সরিষার মৃণালউদ্দিন মোল্লার ছোটো পুত্র আজহারউদ্দিন মোল্লা। তাঁর কঠোর পরিশ্রমের ফলে এই কলেজ টি পুনরায় খুলতে চলছে। তাঁর জন্যই জাতীয় শিক্ষা - নীতি এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল সরকারের ওশিক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম - কানুন পালন করা হচ্ছে।
আমরা এই আজহারউদ্দিন মোল্লা মহাশয় কে ধন্যবাদ জানাই।আজহারউদ্দিন মোল্লা বর্তমান কলেজের গভর্নিং বডির উল্লেযোগ্য সদস্য এবং ওনার প্রয়াত পিতা স্বর্গীয় মৃণালউদ্দীন মোল্লা কলেজ গঠনের সময় থেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে ছিলেন।আশা করি আগামীদিনে নতুন করে খুলে ওয়েস্ট বেঙ্গলে আলোড়ন সৃষ্টি করবে।
কলেজ খোলার যাবতীয় কাগজ পত্র জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে।
Comments
Post a Comment