Skip to main content

NBI ! পল্লিকবির কলকাতার বাড়িতে "কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি"

পারিজাত মোল্লা
আপামর বাঙালির কাছে "বাড়ি আমার ভাঙ্গন ধরা অজয় নদের বাঁকে, জল যেখানে সোহাগ করে স্থল কে ঘিরে রাখে' কবিতার লাইন অত্যন্ত পরিচিত। প্রতি বছর ৩ রা মার্চ পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের কোগ্রামে পল্লিকবির বসতভিটা মধুকর প্রাঙ্গণে কুমুদ সাহিত্য মেলা হয়ে থাকে।টানা ১৩ বছর এই সাহিত্য বিষয়ক মেলার আয়োজন করে আসছেন সাংবাদিক মোল্লা জসিমউদ্দিন ও তাঁর সহৃদয় বন্ধুরা। 



পল্লিকবির কলকাতার লেকটাউনে বংশধরদের বাড়িরও নাম 'মধুকর'। এই বাড়ি জজসাহেবের বাড়ি হিসাবেও পরিচিত। কেননা কবির নাতি সুধেন্দ্রনাথ মল্লিক ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। তিনি নিম্ন আদালতে দীর্ঘদিন বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। সম্প্রতি তিনি কলকাতার বাইপাসের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত সপ্তাহে  প্রয়াত বিচারপতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে এবং আসন্ন কুমুদ সাহিত্য মেলার প্রাক প্রস্তুতি নিতে লেকটাউনে গিয়েছিল কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি। 




কমিটির সম্পাদক মোল্লা জসিমউদ্দিন,  কোর কমিটির অন্যতম তিন সদস্য জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, বৈদূর্য ঘোষাল এবং মহাশ্বেতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন এই সভায়।প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের ফৌজদারি বিশেষজ্ঞ আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় গতবারের 'কুমুদ সাহিত্য রত্ন' সম্মান পেয়েছিলেন। আরেক খ্যাতিমান আইনজীবী বৈদূর্য ঘোষাল মেলা কমিটির কার্যকরী সভাপতি পদে রয়েছেন। সাহিত্যিক মহাশ্বেতা বন্দ্যোপাধ্যায় পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের নিকটাত্মীয় এবং কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির 'রত্ন সম্মান' নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ  বিচারকমণ্ডলীর একজন  সদস্যা। 



আসন্ন কুমুদ সাহিত্য মেলায় রত্ন সম্মান এবং অতিথিদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত, আইনজীবী জয়দীপ মুখার্জি, সঙ্গীত পরিচালক অশোক রুদ্র, সাহিত্যিক আরণ্যক বসু, মঙ্গলকোটের জনপ্রিয়  বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী, লোকসংস্কৃতি গবেষক আইপিএস সুখেন্দু হীরা,  পার্থ চৌধুরী, অরুপ লাহা, রফিকউদ্দিন, মোল্লা শফিকুল ইসলাম ( সাংবাদিক),  সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্য, বার কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের শ্যামল ঘটক, কলকাতা হাইকোর্টের এজিপি আনসার মন্ডল,  রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, বিধান শিশু উদ্যানের সম্পাদক গৌতম তালুকদার, কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শীর্ষেন্দু সিংহরায়, মাসুদ করীম প্রমুখদের নাম উক্ত সভায় বারবার আলোচিত হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।