Skip to main content

NBI ! জিও ম্যাপিংয়ে পুর সংরক্ষণ সচেতনতার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,কলকাতাঃ রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি সংরক্ষণে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও সরকারকে সাহায্য করতে এগিয়ে এল কলকাতার  ইন্টিগ্রেটেড ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চ অ্যান্ড ইনফর্মেশন। 



এদের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই নদিয়ার দেবলগড় ও উত্তর ২৪ পরগনার চন্দ্রকেতুগড়ের অবহেলিত পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন গুলির জিও ম্যাপিং ও ড্রোনের মাধ্যমে সেগুলির ফটোগ্রাফি ও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে । ড্রোনের সাহায্যে তারা অনুসন্ধান করছে ভূপৃষ্ঠে বা কাছাকাছি কোনও নিদর্শন আছে কিনা। তারপর তার ছবি তুলে সেটির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
যেসব ঐতিহ্যবাহী স্থানের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ দরকার সেগুলির তালিকা তৈরি করে সরকারকে সেই বিষয়ে জানানোরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার নির্দেশক রাহুল চক্রবর্তী। 
তিনি বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অবহেলিত পুরা নিদর্শনগুলি আমরা খুঁজতে শুরু করা হয়েছে। অনুসন্ধান করে যা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলি নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এতে ইতিহাস সংরক্ষণ ও সচেতনতার কাজ একই সঙ্গে হচ্ছে।  এ বিষয়ে সোমবার কলকাতার ডানলপে এনিয়ে রাজ্যস্তরের এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 



আলোচনার বিষয় ছিল 'জিও হেরিটেজ অ্যান্ড জিও আর্কিওলজি, এ মাল্টি ডিসিপ্লিনারি অ্যাপ্রোচ।' কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিওলজি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান অধ্যাপিকা ডক্টর দুর্গা বসু বলেন, সুন্দরবন সহ উপকূলবর্তী এলাকায় অনেক সময়েই খোঁড়াখুড়িতে প্রচুর ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া যায়। কখনও কখনও স্থানীয়দের বাধার মুখে সেগুলি উদ্ধার করা যায় না, আবার কখনও সেসব নিদর্শন চোরাচালানকারীদের হাতে চলে যায়। তাই সেগুলি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। 


সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপক ডক্টর কল্লোল দাশগুপ্ত বর্ধমানের অম্বিকা-কালনার মন্দির ঐতিহ্য এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক নিদর্শন রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে বলেন। 
দেবগ্রাম দেবল রাজা পুরাতত্ত্ব ও লোকসংস্কৃতি সংঘের সম্পাদক ডক্টর বিশ্বজিৎ রায় বলেন, দেবলগড়ে অনেক পুরাতত্ত্ব নিদর্শন রয়েছে যেগুলি অবহেলিত। সেগুলি চিহ্নিতকরণে ও সংরক্ষণের জন্য তারাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI // বেলগাছিয়ায় ঐতিহ্যবাহী খুঁটি পুজো—২০২৬ দুর্গাপুজোর সূচনা আনুষ্ঠানিকভাবে।।

কলকাতা: রথযাত্রার পবিত্র তিথিকে সামনে রেখে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া অঞ্চলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল ঐতিহ্যবাহী “খুঁটি পুজো”। বেলগাছিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পর্ব। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ নির্মাণের শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে খুঁটি পুজো বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে পূজার আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি ও উৎসাহের পরিবেশে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা , সম্পাদক অভিষেক দাস,কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁদের পাশাপাশি এলাকার বহু বাসিন্দা এই শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং দুর্গোৎসবের সূচনায় সামিল হন।পুজোর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা দুর্গার আশীর্বাদ কামনা করে উদ্যোক্তারা জানান, এই খুঁটি পুজোর মাধ্যমেই এবারের দুর্গোৎসবের পথচলা শুরু হল। তাঁরা আশাবাদী, সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণে আসন্ন দুর্গাপুজো আরও সাফল্যমণ্ডিত ও বর্ণময় হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মঙ্গল, শান্তি...

NBI // সাফল্যের ৬০ দিন পূর্তি: 'পোড়া বাঁশি'র উদযাপনে পরিচালক-অভিনেতাদের বর্ণাঢ্য সমাবেশ।।

ডিজিটাল ডেস্কঃ  সাম্প্রতিক টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে "তারামা মোশন পিকচারস" ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস নিবেদিত পরিচালক, শুভম দাস পরিচালিত মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমা"পোড়া বাঁশি"র 60 Days celebration party অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রোডাকশন হাউসের নিজস্ব অফিসে। কেক কেটে সেলিব্রেশানের শুভ সূচনা হয়।  দ্বিতীয় পর্যায়ে বিশিষ্ট গুণীজনদের সহিত অন্যান্য পরিচালক, টেকনিশিয়ানস ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিশেষ সম্বর্ধনার দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আড্ডা খাওয়া দাওয়া এবং শিল্পীদের নাচ-গানের মধ্য দিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের জমজমাট সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোগ্রাহী হয়ে উঠে।   উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট পরিচালক স্বপন সাহা, বিশিষ্ট অভিনেত্রী অনামিকা সাহা, পরিচালক শুভম দাস, শাস্ত্রীজি, প্লেব্যাক সিঙ্গার-অর্ণব ব্যানার্জি, গুরিয়া, কোরিওগ্রাফার-রত্না, পরিচালক কাঞ্চন নাগ, অনসূয়া সামন্ত, সরস্বতী দাস,রুনা (রায়না বূটিক), হাউস ইনচার্জ-রিনা দাস, হাউস ম্যানেজার-পবিত্র হালদার।  হিরোইনদের মধ্যে উপস্থিত ছিল-বনশ্রী, মৌপ্রিয়া, পৌলোমী, সিউ, সোনু,  অনসূয়া। অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ‍্যে উপস্থিত ছিল-মাধব,সৌমক, সুপ্রভাত...