Skip to main content

NBI ! মুক্তি পেলো বাদল সরকার পরিচালিত স্বল্প দৈর্ঘ্যের কাহিনী চিত্র 'পরিযায়ী'

মৃত্যুঞ্জয় রায়, কলকাতা ঃ
বাদল সরকার পরিচালিত স্বল্প দৈর্ঘ্যের কাহিনী চিত্র 'পরিযায়ী' মুক্তি পেলো। 'ভয়েস টেক স্টুডিও' ইউটিউব চ্যানেলে এই ছবি দেখা যাবে। তার আগে কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ছবির কুশীলবদের উপস্থিতিতে প্রদর্শিত হয় 'পরিযায়ী'।
জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে একজন পুরুষ মানুষ ভিটে মাটি ও আপনজনদের ছেড়ে পাড়ি দেয় অন্যত্র। 


সেই রকমই একজন নারী বিয়ের পর তার পিতৃগৃহ ও আপনজনদের ছেড়ে চলে যায় শ্বশুরালয়ে। সেই অর্থে এরা দু'জনেই পরিযায়ী। চলচ্চিত্রের পুরুষ চরিত্র সুকুমার কাজ করে অর্থ ও আপনজনদের জন্য উপহার নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে। সেখানে ছবির নায়িকা জয়িতা শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুর , শাশুড়ি , স্বামী , ননদ , দেওর সবার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিলেও মানসিক এবং দৈহিক অত্যাচারের শিকার হয়। 


একসময় সহ্য করতে না পেরে পিতৃগৃহে ফিরতে চাইলে , দাদা বৌদি তাঁকে শ্বশুরবাড়িতেই ফিরে যেতে বলে। জয়িতা আত্মহত্যা করতে যায়। সেই সময় এক বৃদ্ধ ভিখারি তাঁকে নারী শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিলে তাঁর সম্বিত ফেরে। ৩০ মিনিটের এই ছবির গল্প লিখেছেন বাদল সরকার নিজেই। চিত্রনাট্য লিখেছেন পার্থ চক্রবর্তী। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন - সুস্মিতা দে , সুমিতা ঘোষ,দীপঙ্কর মজুমদার , আনন্দ চক্রবর্তী প্রমুখ।



পরিচালক বাদল সরকারের এটা সপ্তম স্বল্প দৈর্ঘ্যের কাহিনী চিত্র। প্রতিটা ছবিতেই তিনি সমাজকে কোন না কোন বার্তা দিতে চেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন , তাঁর পরবর্তী ছবি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে। সেই ছবিতেও তিনি এই মানুষদের কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সমাজের সমস্যার কথা তুলে ধরবেন।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।