Skip to main content

NBI ! তারকা খচিত ৯ম লেজেন্ড অফ বেঙ্গল এওয়ার্ড

নিউজ ডেস্ক : কলকাতা, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ :- 
গত রবিবার ১০ ডিসেম্বর ছিল বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্য সারা বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠন এক যোগে কাজ করে চলেছে। আমাদের দেশ তথা আমাদের রাজ্যেও একাধিক মানবাধিকার সংগঠন আছে। সেইসব সংগঠন ও মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। এই সকল সংগঠনের মধ্যে অন্যতম অল ইন্ডিয়া হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বুম্বা মুখার্জী। 


যার নেতৃত্বে গত ১৫ বছর ধরে মানব সেবায় নিয়োজিত অল ইন্ডিয়া হিউম্যান রাইটস। মাত্র ৩ জন সদস্য নিয়ে এই সংগঠনের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল। আজ সারা ভারত জুড়ে এই সংগঠনের শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে আছে। কাজের কথায় বিস্তারিত ভাবে না উল্লেখ করলেও একটা কথা অবশ্যই উল্লেখ করতে হয় তা হলো আসানসোল অঞ্চলে গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে নিরলস ভাবে ক্ষুধার্থ ও আর্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে। করোনা অতিমারীর সময়েও এই পরিষেবা দিয়েছেন। 




প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ মানুষ প্রতি নিয়ত এই সেবা পাচ্ছেন। এই সংস্থার উদ্যোগে গত ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে জ্ঞান মঞ্চে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে বিশিষ্টজনের হাতে ৯ম লেজেন্ড অফ বেঙ্গল এওয়ার্ড তুলে দিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান বুম্বা মুখার্জী সহ অতিথিগণ। 


এদিনের পুরস্কার প্রাপকরা হলেন বিধায়ক ও কবি দেবাশীষ কুমার, অভিনেত্রী সোনালী চৌধুরী, অঙ্গনা রায়, পাপিয়া অধিকারী, কাঞ্চনা মৈত্র, মৌবনী সরকার, সৌমিলী ঘোষ বিশ্বাস, অন্বেষা হাজরা, সংগীতশিল্পী জোজো মুখার্জী, অভিনেতা সাগ্নিক, রজতাভ দত্ত, গৌরব চ্যাটার্জী, রাহুল মজুমদার, দিগন্ত বাগচী ও ভরত কল। বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দাদাজি মহারাজ, সংগীতশিল্পী লাজবন্তী রায়, বিনোদ তামরি, অমিত ভট্টাচার্য, সুধীর চক্রবর্তী, হরণজিৎ সিং, রাম প্রসাদ সরাফ, সঞ্চিত আগরওয়াল, সুনীল আগরওয়াল, সুপ্রদীপ মুখার্জী, মৃনাল দত্ত, সম্রাট সিনহা, সঞ্জীব গোয়েল, রাজা খান, পিনাকি হালদার সহ সংগঠনের সারা বাংলার সদস্যবৃন্দ।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।