Skip to main content

NBI ! 'Mission Impossible'- এর নবম প্রদর্শনী হতে চলেছে বালিগঞ্জ ফাঁড়ির 'চৌধুরী হাউজে'

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা :- 
'Mission Impossible'- এর নবম প্রদর্শনী হতে চলেছে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ ফাঁড়ির 'চৌধুরী হাউজে'। ৬ ও ৭ জানুয়ারি - এই দু'দিন চলবে প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে শতাধিক স্টল থাকছে। মহিলাদের পোশাক, শাড়ি ও প্রসাধনী থেকে শুরু করে পুরুষদের টি শার্ট, পাঞ্জাবি- সব পাওয়া যাবে এখানে। 

Mission impossible নয়। বরং Mission I'm Possible - এই ভাবনা থেকেই জন্ম হয়েছিল Mission impossible এর। সামাজিক মাধ্যমের এই গ্ৰুপ মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে গত চার বছর ধরে। 


করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ব্যবসাবাণিজ্য, দোকানপাট। ছোট ব্যবসায়ীদের বিক্রির নানা রকম জিনিসপত্র জমে ছিল বন্ধ ঘরে। সেই সময় অনেক মহিলাই দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বামীর পাশে। উদ্যোগ নিয়েছিলেন এই সব জিনিসপত্র বিক্রি করার। 



তাঁদের সহযোগিতা করতেই ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল Mission Impossible। তারপর থেকেই অন লাইনের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনী করে জিনিসপত্র বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
বর্তমানে এই গ্ৰুপের সঙ্গে রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৭ হাজার মহিলা। স্বামী পরিত্যক্তা ও নিষিদ্ধ পল্লী থেকে উদ্ধার পাওয়া মহিলাও রয়েছেন এই গ্ৰুপে।

'Mission Impossible' এর অ্যাডমিন রিয়া পাল জানিয়েছেন, নবম প্রদর্শনীর বিশেষ আকর্ষণ হলো ওপেনিং গিফট। প্রতিটি স্টলের প্রথম ক্রেতা, ১০০ টাকার জিনিস কিনলে পেয়ে যাবেন উপহার। এছাড়া ২,০০০ টাকার কেনাকাটার ওপর থাকছে উপহার। 



জেলার ক্রেতারা ১,০০০ টাকার জিনিস কিনলেই পাবেন বিশেষ উপহার। বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্রের পাশাপাশি থাকছে খাবারের স্টলও। বাঙালি খাবার থেকে শুরু করে মোগলাই, চাইনিজ -সব রকম খাবার পাবেন এখানে। প্রদর্শনী খোলা থাকবে সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।