Skip to main content

NBI ! সৈকতের রম্যরচনার 'সত্যি হলেও গল্প' বই কাঁদায় আবার আনে হাসি

পারিজাত মোল্লা,কলকাতা :- 
চলতি বইমেলায় কবি - লেখকদের বই প্রকাশ অব্যাহত। এরেই মাঝে প্রকাশ পেয়েছে সৈকত চৌধুরীর নুতন বই।সৈকতের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা কলকাতায়।প্রয়াত সুপ্রিয় চৌধুরী এবং সুতপা চৌধুরীর একমাত্র পুত্র সৈকতের লেখাপড়ায় হাতেখড়ি কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুলে। 


এরপর উনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্নাতক এবং নার্সিমুঞ্জি ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।
টেলিকম এবং আইটি সেক্টরে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সৈকত দেশে ও বিদেশে একাধিক বহুজাতিক সংস্থায়  সিনিয়র পদে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি কলকাতায় এরিকসন সংস্থায় কর্মরত। এছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার হোলি মিশন স্কুলের বোর্ড মেম্বারের দায়িত্ব ও পালন করে থাকেন। সাহিত্য এবং চলচ্চিত্রের অনুরাগী সৈকত বিভিন্ন সময়ে অনুবাদক, চিত্রনাট্য লেখক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেছেন। 



ইস্টবেঙ্গল এবং আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক সৈকত ফুটবল, ক্রিকেট এবং টেনিসের অনুরাগী এবং অবসর সময়ে ক্রীড়া এবং চলচ্চিত্র বিশ্লেষক হিসেবে লেখালেখি করেন।সৈকতের জীবনের বিভিন্ন সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া বাইশটি রম্য রচনার সংকলন 'সত্যি হলেও গল্প' ওনার প্রথম প্রকাশিত বই। চলতি পথে, আমাদের চোখে পড়ে অসংখ্য দৈনন্দিন ঘটনা।আপাতভাবে এগুলোকে সামান্য বলে জ্ঞান হয় কিন্তু এরই মধ্যে লুকিয়ে থাকে জীবনের কিছু আশ্চর্য মুহূর্ত, কিছু ফিলোসফি যা আমাদের তাৎক্ষণিক আনন্দ দেয় বা গভীর শিক্ষা দেয়। অনেক সময় আবার আমাদের চরিত্র ও মনোভাব ও পাল্টে দেয়। 



চারপাশে অনবরত ঘটে চলা এমনি সব সাধারণ নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা আমি নিয়মিত সংগ্রহ করে চলি। কিছু ঘটনা আমাকে কাঁদিয়েছে, কিছু হাসিয়েছে। আবার কিছু অবাক করেছে। আর তাই সেই সমস্ত মুহূর্ত আমি ধরে রাখতে চেয়েছি এই বইয়ে বিবৃত বাইশটি অণুগল্পের মাধ্যমে, যা কিছুটা হলেও আজকের সময়ের প্রতিরূপ।সত্যি এবং কল্পনা মিশিয়ে এই পরিবেশনা আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।



বইয়ের নামকরণ ও তাই এই থিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই করা হয়েছে -  "সত্যি হলেও গল্প"। 
হয়তো আপনারাও এই গল্পে গুলোর সাথে নিজেদের অভিজ্ঞতার কিছু মিল পাবেন। আর সেখানেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস সার্থক হয়ে উঠবে।এই বইটি পাওয়া যাবে কলকাতা বইমেলায় বাঙলা স্ট্রিট এর স্টলে -  ৬৩১ নং স্টল (৯ নং গেটের কাছে, লিটল ম্যাগাজিনের প্যাভিলিয়নের উল্টো দিকে)।এছাড়াও‌ বইটি সংগ্রহ করতে পারেন অভিযান বুক ক্যাফে Abhijan Book Cafe থেকে। 
অনলাইনে পাবেন  Amazon.com এবং  www.excellerbooks.com থেকে ।
মূল্য - ২৮৫/-

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।