Skip to main content

NBI // দিল্লিতে আন্তর্জাতিক বঙ্গ সম্মেলন ও সম্মাননা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান আয়োজক বঙ্গভাষী মহাসভা !

নিউ দিল্লি, ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ :- নিউ দিল্লির বিশ্ব যুবক কেন্দ্রে বঙ্গভাষী মহাসভা ফাউন্ডেশনের ( বি বি এম এফ)উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মানের এক বিরাট আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত সভায় বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী তথাগত রায়,(প্রাক্তন  রাজ্যপাল : ত্রিপুরা, মেঘালয়া ও অরুনাচল প্রদেশ)  শ্রী বিপ্লব রায়( গুডউইল এম্বাসাডর, আই আই এ ইন্ডিয়া, অফিসিয়াল পার্টনার ইউনেস্কো)  বি বি এম এফ এর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সভাপতি ড: পরিমল কান্তি মন্ডল, ও সম্পাদক ড:শুভ্র চক্রবর্তী এবং ভারত, বাংলাদেশ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও জার্মানি থেকে আসা বিশিষ্ট অতিথি বৃন্দ।           



এই সভায় শিল্প, সাহিত্য - সংস্কৃতি, বিঞ্জান, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা,উদ্যোগ, দক্ষ পরিচালনা, সাংবাদিকতা,সিনেমা, ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে কৃতি বঙ্গভাষীদের সম্মান প্রদর্শন করা হয়।বঙ্গভাষী মহাসভা ফাউন্ডেশনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সভাপতি ড: পরিমল কান্তি মন্ডল বলেন, " সারা পৃথিবীতে বাংলা ভাষা আজ চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। ইংরাজি, মান্দারিন ( চীনা), স্প্যানিশ এর পরেই বাংলা ভাষায় পৃথিবীতে সব থেকে বেশি মানুষ কথা বলে। ইউনেস্কোর বিচারে বাংলাই পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা। বাংলা ভাষা পাওয়া যায় ৩৫০০ খ্রীস্টপূর্বাব্দে।বাংলা ভাষা বিকাশের ইতিহাস ১৩০০ বছরের পূরানো। 



কিন্তু দূ:খের বিষয় এখন ও ভারত সরকার এই ভাষাকে ধ্রপদী ভাষা বা ক্লাসিকাল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেনি। আর এই দাবী আরও জোরালো করা এবং বাঙ্গালী দের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য দরকার বিশ্বের সকল বাঙালিকে একত্রিত করে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা।একে অপরের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এক সময় এই বাঙালিরাই দেশ স্বাধীন করার জন্য নিজেদের জীবন বলিদান দিয়েও দেশের জন্য লড়াই করেছেন। দেশের সমস্থ্য উচ্চতর পদে এই বাঙালী তথা বাংলা ভাষা ছিল। 




আজও মেধাবী বাঙালীরা পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশে উচ্চতর পদে অধিষ্ঠিত। তাই আমাদের এই বঙ্গভাষী মহাসভা ফাউন্ডেশনের ( বি বি এম এফ) প্রধান উদ্দেশ্য দেশ ও বিদেশের সকল বাঙালিদের একত্রিত করে,বাংলার কালচার ও আদর্শকে ফিরিয়ে এনে বাংলা ভাষা ও বঙ্গভাষীদের দেশ তথা বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছে দেওয়া।"

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।