Skip to main content

NBI // বাগবাজার গৌড়ীয় মিশনে তিন দিনের চৈতন্য জন্মোৎসব মেলা !

সপ্তর্ষি সিংহ
শ্রীলা ভক্তি সিদ্ধান্ত স্বরসতী গোস্বামী প্রভুপাদের ১৫০ বছর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একবছর উদযাপন করছে বাগবাজার গৌড়ীয় মিশন। প্রভুপাদ চৈতন্য দেবের বাণী প্রচারের উদ্দেশ্যে দেশ-বিদেশে ৬৪টি মঠ স্থাপন করেছিলেন। প্রভুপদের জন্মদিবসকে কেন্দ্র করে চৈতন্য জন্মোৎসব ও মেলা ২৮ ফেব্রুয়ারী থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত তিনদিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বাগবাজার গৌড়ীয় মিশন। 


সোমবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠকে বাগাবাজার গৌড়ীয় মিশনের আচার্য ও প্রেসিডেন্ট বি এস সন্ন্যাসী মহারাজ, সহ সভাপতি বি আর হরিকৃষ্ণ মহারাজ ও বি এন মধুসূদন মহারাজ জানান, এই অনুষ্ঠানের সূচনায় উপস্থিত থাকবেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি জেনারেল ও প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গাঙ্গুলি।


এই  বিষয়ে গৌড়ীয় মিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪ এর ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হওয়া একবছর ব্যাপী অনুষ্ঠান বিভিন্ন জায়গায় চলবে, যা শেষ হবে আগামী ২০২৫ সালে মার্চ মাসে। ২০২৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী প্রভুপাদের নামাঙ্কিত ও পোস্টাল স্ট্যাম্প রাজধানী দিল্লির ভারত মণ্ডপমে উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহারাজের সংযোজন ২৬ মার্চ নবদ্বীপে দোলযাত্রায় অনুষ্ঠান করা হবে। 


এপ্রিল মাসে বেনারসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এরপর জুন মাসে বেনারসে অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। চলতি বছরের আগস্ট ও জুলাই মাসে রাশিয়া ও জার্মানিতে অনুষ্ঠান করা হবে। পাশাপাশি ডিসেম্বর মাসের প্রথমে বাংলাদেশে ও মুম্বাইতে একটি অনুষ্ঠান উদযাপন হবে। রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কলকাতায় অনুষ্ঠানে সমাপ্তি পর্ব উদযাপিত হবে।
একইসঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যে যে অশান্তির আবহ চলছে সেই পরিস্থিতিতে চৈতন্য মহাপ্রভুর শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে তাঁরা জানান।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।