Skip to main content

NBI // পল্লিকবির ১৪১ তম জন্মবার্ষিকী পালনে কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি !

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 
"বাড়ি আমার ভাঙন ধরা অজয় নদের বাঁকে, জল যেখানে সোহাগ করে স্থল কে ঘিরে রাখে"। এই দুটি কবিতার লাইন বাঙালির আট থেকে আশি সকলেই জানেন।পূর্ব বর্ধমান জেলার কোগ্রামে পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের বসতভিটে মধুকর প্রাঙ্গণে টানা ১৫ বছর ধরে কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি পালন করে আসছে কুমুদ সাহিত্য মেলা। 



এবারেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।রবিবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত কবির আমবাগানে চলে সাহিত্য বিষয়ক মেলাটি।এবারের সাহিত্য মেলার উদ্বোধক ছিলেন রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। প্রধান অতিথি ছিলেন বার কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান শ্যামল ঘটক।  অনুষ্ঠান সভাপতি ছিলেন বিধান শিশু উদ্যানের সম্পাদক গৌতম তালুকদার।




বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু সিংহরায়, বৈদূর্য ঘোষাল। কাজি নজরুল ইসলাম এর বংশধর সোনালি কাজি, পল্লিকবি কুমুদ রঞ্জন মল্লিকের বংশধর মহাশ্বেতা বন্দ্যোপাধ্যায়,   মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ, বর্ধমান জেলা আদালতের সিনিয়র এপিপি সঞ্জয় ঘোষ,আন্তজার্তিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক প্রকাশ মল্লিক, হুগলি জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর অফিস মাস্টার সাহানা খাতুন, সাহিত্যিক শুভাশীষ মল্লিক, বাংলাদেশের যশোরের লেখক কাজী নূর, চিকিৎসক অভয় সামন্ত, বাচিক শিল্পী দেবিকা মুখার্জি প্রমুখ। এবারে ১৭ জন কে রত্ন সম্মান দেওয়া হয় কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির তরফে। 



টলিউডের সঙ্গীত পরিচালক অশোক ভদ্র কে 'লোচনদাস রত্ন', সঙ্গীত শিল্পী কুমকুম সেনগুপ্ত কে 'নজরুল ইসলাম রত্ন ', হাওড়া জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর অফিস মাস্টার প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্য কে 'নুরুল হোদা রত্ন', সাংবাদিক সংগঠক শম্ভু সেন কে 'সমীরণ চৌধুরী রত্ন',  সাংবাদিক পার্থ চৌধুরী কে পুরুষোত্তম সামন্ত স্মৃতি পুরস্কার,  স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ডক্টর শ্যামলেন্দু চ্যাটার্জি কে বর্ধমান জেলা রত্ন, কেন্দ্রীয় সরকারের পেটেন্ট পাওয়া বিজ্ঞানী চন্দ্র নারায়ণ বৈরাগ্য কে মেমারি রত্ন, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ এর লেখক পংকজ পাল কে হাসান আজিজুল হক রত্ন, সাংবাদিক রফিকউদ্দিন মন্ডল কে দক্ষিণ দামোদর রত্ন, সমাজসেবী সফিকুল ইসলাম কে খন্ডঘোষ রত্ন, বর্ধমান সহযোদ্ধার কর্মকর্তা সোমনাথ ভট্টাচার্য কে কাটোয়া মহকুমা রত্ন,আইনজীবী মাসুদ করীম কে মঙ্গলকোট রত্ন, আঞ্চলিক গবেষক  নির্ম্মলেন্দু পাল কে কালনা মহকুমা রত্ন, সমাজসেবী মুলচাঁদ আগরওয়ালা কে বীরভূম রত্ন, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কে সমীর ভট্টাচার্য রত্ন এবং পশুপ্রেমী সমাজসেবী আমির সেখ কে মমতা মণ্ডল স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়।কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির পক্ষে  মোল্লা জসিমউদ্দিন, শ্যামলাল মকদমপুরী জানান -'' এবছর আমরা কবির বাসভবনে কবির মূর্তি স্থাপন করলাম"

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।