Skip to main content

NBI // লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে দেয়াল লেখাের মধ্যে দেখা যাচ্ছে কোন পার্টি কৌতুক চিত্র করছেন তো অন্য কোন পার্টি নিজেদের হিট প্রকল্প গুলোকে মানুষের সামনে তুলে ধরছে

হাওড়া, বালি :- 
লোকসভা ভোটের প্রথম প্রচার হল দেওয়াল লিখন আর এই দেওয়াল লিখনে বিভিন্ন ধরনের কৌতুক চিত্র উঠে আসে মানুষের চোখের সামনে। মানুষ উপভোগ করে এই নতুন ধরনের প্রচেষ্টাকে। হাওড়া শহর জুড়ে দেখা যাচ্ছে CPIM ও TMC পার্টির কর্মীরা দেওয়াল লিখনে কৌতুক চিত্র ও নিজেদের হিট প্রকল্প গুলোকে সামনে তুলে ধরছে। মহিলারাও পেছনে পড়ে নেই তারাও এগিয়ে এসে  কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেয়াল লিখছেন। বিজেপির বালি বিধানসভার প্রাক্তন সম্পাদক সৌম্য ঘোষ জানান যে এগুলো হাস্যকর নিজেদের প্রকল্পগুলোকে যে প্রকল্প গুলো মানুষ উপভোগ করছে সেগুলোকে নতুন করে চোখের সামনে তুলে ধরার কি দরকার আছে মানুষ তো পাচ্ছে। তো আবার নতুন করে তুলে ধরার কি কারণ আছে তার সঙ্গে আরো বলছেন নিশ্চয়ই তারা ভয় পেয়ে গেছ। 




বলেই এই ধরনের কর্মকাণ্ডে মেতে উঠেছে। সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য শংকর মৈত্র জানাচ্ছেন দেওয়ালে এইসব লেখার অর্থ একই নিজেদের প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলেছে টিএমসি সরকার। তাই নিজেদের প্রকল্প গুলোকে সামনে তুলে ধরতে হচ্ছে। আর টিএমসি নেতা রায়চরণ মান্না জানাচ্ছেন যে মানুষ সর্বদাই তাদের পাশে ছিল পাশে আছে পাশে থাকবে আর আমরাও মানুষের পাশে সারাক্ষণ রয়েছে। 





কি কি পরিষেবা রয়েছে সেগুলো আরো মানুষের চোখের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টাকে কিছু লোকে কটাক্ষ করলেও আমরা আমাদের কাজ করে যাব। ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও ব্যুরো চেয়ারপারসন বিশ্বনাথ দাস তিনিও একই কথা বলেন যে সারা বছর আমরা মানুষের পাশে থাকি। 




নতুন করে আর তাদের জানাতে হবে না তবে এই প্রকল্পগুলো তুলে ধরার একটাই লক্ষ্য সেটা হচ্ছে মানুষ উপভোগ করছে প্রত্যেকটা প্রকল্প এবং এই প্রকল্পগুলো উপভোগ করতে পারে যে সকল মানুষের কাছে এখনো পৌঁছয়নি। তারা যাতে করে এই সকল প্রকল্প উপভোগ করতে পারে। তারই প্রচেষ্টা করছি আমরা। এখন প্রশ্ন একটাই উঠছে যে এই কৌতুক চিত্র ও প্রকল্পের যুদ্ধে কে হবে জয়ী?

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।