Skip to main content

NBI // ঈদের প্রাক্কালে পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে

কলকাতা এপ্রিল,২০২৪ : বছরের অন্যান্য পবিত্র দিনের মতো ২০২৪ এর পবিত্র রমজান মাস শেষ হয়ে আসছে। রোজা পালনের সমাপ্তির পরই ঈদ উদযাপন করা হয়। ঈদকে আবার  ‘রোজা ভাঙার উৎসব’ও বলা হয়ে থাকে। তিন দিন ধরে এই ঈদ উৎসব চলে । বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
কিছু মানুষ পরিত্র ঈদের  প্রাক্কালে নতুন জামা কাপড় নিয়ে এগিয়ে এসেছেন "আলো"  সংস্থার পাশে ।
যে কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসবে  "আলো" সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের নতুন বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সেবা করে থাকে। তাই "আলো" সংস্থাকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গার ২০০ জন মানুষকে নতুন বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।  সোদপুর ও ব্যারাকপুর  স্টেশনে আশ্রিত কিছু অসহায় মানুষদের একটি বেলার জন্য  ভাত ও আলুর দম ,বিস্কুট ,পানিও জল দিয়ে তাদের আহারের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
উক্ত কাজে আর্থিকভাবে হৃদয় দিয়ে সহযোগিতা করেছেন "বামদেব ঘোষ" রামনগর বাচড়া বেলডাঙা  মুর্শিদাবাদ থেকে "কিংশুক সরকার" রঘুনাথগঞ্জ সুকান্তপল্লী  মুর্শিদাবাদ  থেকে "তন্ময় ঘোষ" এবং  গরোরা মরুরিয়া মুর্শিদাবাদের অন্তর্গত "সাথী মন্ডল" ও তার সুযোগ্য পুত্র "মৈনাক মন্ডলের" মতন ব্যক্তিরা।"আলো"র সামাজিক আঙিনায় তাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। "আলো"র এই কর্মকাণ্ডের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত গঠনের একটা অংশ মাত্র। "আলো"র পক্ষ থেকে পাশে থাকার এই মানুষদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই ও কামনা করি যে ওনারা বেঁচে থাকার পাশাপাশি পারিবারিক দায়বদ্ধতা পালন করার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক  দায়িত্ব পালন করছেন। মানুষের সেবাই "আলো"র সদস্যদের অঙ্গীকার। "আলো"র সকল সদস্যদের পক্ষ থেকে ও "আলো"র কর্ণধার প্রবুদ্ধ রায়ের পক্ষ থেকে ওনাদের জন্য রইলো অভিনন্দন।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।