Skip to main content

NBI // শ্রী গণেশ জ্যোতিষ কেন্দ্রের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান !

নিউজ ডেস্ক : 
'শ্রী গণেশ জ্যোতিষ কেন্দ্র' র দশম বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে গেল ২১ এপ্রিল রবিবার। হাওড়ার শালকিয়ার 'অমরদীপ সব পেয়েছির আসর'- এর মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নাচ ও গানের পাশাপাশি ছিল জ্যোতিষ নিয়ে আলোচনা। সেই সঙ্গে ছিল গুণীজন সংবর্ধনা। 

অনুষ্ঠান শুরু হয় পূর্ণিমা সাহার পরিচালনায় গণেশ বন্দনা ও নাচ দিয়ে। গান গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের মাতিয়ে দেন বর্ণালী রায় চৌধুরী। তাঁর গাওয়া 'তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়', 'এক প্যার কা নাগমা হ্যায়'-গানগুলো শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন সংযুক্তা দে , ঝুমকি সেন ও অনির্বাণ সুর। 
নৃত্য পরিবেশন করে 'সৃজন নৃত্য গোষ্ঠী', 'নিক্কণ গ্ৰুপ', 'গণেশা ড্যান্স অ্যাকাডেমি' ও 'বিভাস ড্যান্স গ্ৰুপ'। 
 অনুষ্ঠান থেকে আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে সূচনা হয় "রীতা ফাউন্ডেশন" এর। শ্রী শ্রী মাকালী উদ্যানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল শুভ উদ্যোগের আর আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল "রীতা ফাউন্ডেশন" শ্রী গণেশ জ্যোতিষ কেন্দ্রের কর্ণধার ড: নীলাদ্রি নারায়ণ বসু, জানান মাতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত করা "রীতা ফাউন্ডেশন" যাদের প্রথম এবং প্রধান কাজ হল ধর্মীয় স্থানগুলিকে সংস্কার করা। রীতা ফাউন্ডেশন এর কর্ণধার শ্রীযুক্ত সৌমেন্দ্রনাথ বসু আমাদের জানান মন্দির মসজিদ গির্জা যাই হোক না কেন আমরা সমস্ত ধর্মীয় স্থানগুলিকে সংস্কার করে নব রূপে ফিরিয়ে দেব। মায়ের এরকমই ইচ্ছা ছিল। তাই তার ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমাদের এই প্রয়াস এই প্রয়াসে সঙ্গে আছে লক্ষী কনস্ট্রাকশনসের কর্ণধার শ্রীযুক্ত অমিত গুপ্ত।

এই দিন আরও একটি ঘোষণা শ্রী গণেশ জ্যোতিষ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে করা হয় যেটি হল "গনেশা" অ্যাপ ও ওয়েবসাইট।
 সাধারণ মানুষের জীবনে আশার আলো দেখাতে, সমস্ত মানুষকে জ্যোতিষের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে এবং যারা সরাসরি ড: নীলাদ্রি নারায়ন বসুর কাছে পৌঁছতে পারছেন না তাদের কথা মাথায় রেখে শ্রী গনেশ জ্যোতিষ কেন্দ্র আনতে চলেছে "গণেশা" অ্যাপ ও ওয়েবসাইট। সংস্থার কর্ণধার বৈদিক জ্যোতির বিশেষজ্ঞ ড: নীলাদ্রি নারায়ন বসু জানান সাধারণ মানুষের জীবনে জ্যোতিষের আলো ছড়িয়ে দিতে এই নতুন অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট কাজ করবে। আগামী ২২ শে মে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন থেকে এই অ্যাপ ও ওয়েবসাইট জনসাধারণের জন্য গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।

শ্রী গণেশ জ্যোতিষ কেন্দ্রের কর্ণধার ডঃ নীলাদ্রি নারায়ণ বসু বলেন , "স্থানীয় শিল্পীদের আন্তর্জাতিক মানের মঞ্চে সুযোগ দিতে ও নতুন শিল্পীদের প্রতিভার বিকাশে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।"

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।