ডিজিটাল ডেস্ক - একটি স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্টেশনে, রাস্তার ধারে দুঃস্থ মানুষদের হাতে তুলে দিলো কিছু দ্রব্য সামগ্রী ও পানীয় জল।এই গ্রীষ্মের খরতাপে পথের মানুষজন যখন দাবাদহে দগ্ধ ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁদের পাশে দাঁড়ালো এই স্বেচ্ছাসেবক দল।ডাবের জল,ঠান্ডা পানীয়, ফ্রুটি,ফলমূল,পাতলা সুতির জা মা, সুতির লুঙ্গি তুলে দিলো পথের এই অসহায় মানুষদের হাতে এই স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা টি।এই এই সংস্থাকে সাহায্য করেছেন হুগলী জেলার দেবানন্দপুরের(ব্যান্ডেল) শ্রদ্ধেয় অশোক কুমার দে ,ওনার সহধর্মিণী রুবি দে, ওনার সুযোগ্য পুত্র শ্রীমান অলোক দে এবং নদীয়ার রানাঘাটে অভিজিৎ অধিকারী ও হুগলির বাঁশবেড়িয়ার রানা বর্মন। ওনাদের এই কাজটি প্রধান মন্ত্রী স্বচ্ছ ভারতের কাজকে আরও দৃঢ় করলো।আমরাও ওনাদের সাধুবাদ জানাই।
নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...
Comments
Post a Comment