Skip to main content

NBI // ইন্ডিয়া (বেঙ্গল) কালচারাল অ্যাসোটিয়েশন জাপান (IBCAJ) এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীর - “আনন্দধারা” উৎসব

নিউজ ডেস্ক:- সম্প্রতি,  জাপানের টোকিয়োয় সোগো-কুমিন কমিউনিটি সেন্টারে ইন্ডিয়া (বেঙ্গল) কালচারাল অ্যাসোটিয়েশন জাপান (IBCAJ) গত ১ জুন ২০২৪, রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীর আয়োজন করেছিল তাদের “আনন্দধারা” নামক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। IBCAJ 2011 সালে ভারত ও জাপানের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।




এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন টোকিয়োতে ভারতীয় দূতাবাসের কন্সুলার শাখার  বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি শ্রী ধীরজ মুখিয়া ও ভারতীয় দূতাবাসের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন ইউনেস্কো রেজিস্ট্রেশন সেলিব্রেশন গ্রুপ”-এর অধ্যক্ষা ও জাপান - ইন্ডিয়া ওমেন্স ফোরাম (JIWF)-এর কার্যনির্বাহী প্রধান শ্রীমতী তামিকো ওবা।
প্রধান অতিথিবর্গের রবীন্দ্রমনস্কতার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বিবৃতি ও মঙ্গলদীপ প্রজ্বলন-এর  মাধ্যমে সন্ধ্যা সাতটা থেকে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় । 



সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয় IBCAJ-এর উদ্বোধনী পরিবেশনা রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নজরুলগীতির মধ্য দিয়ে, যার সঙ্গে নৃত্যও ছিল । এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল “বৈচিত্র্যময়ী বসন্ত” – গান, কবিতা ও নৃত্যের মাধ্যমে রবীন্দ্র-নজরুল ভাবনায় বসন্তের প্রকাশ যা দর্শকদের অকুণ্ঠ করতালি কুড়িয়েছে। এই বছর IBCAJ- এর শিশুশিল্পীদের রবীন্দ্রনাথের কবিতা আর গান দিয়ে কাব্যনৃত্য আর কিশোর শিল্পীদের নজরুলগীতি দর্শকরা অত্যন্ত উপভোগ করেছেন।



উল্লেখ্য যে, IBCAJ-এর সদস্যরা তাদের ব্যস্ত সময়সূচী সত্ত্বেও এই অনুষ্ঠানকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় সফল করেছেন। এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাঙালি আর স্থানীয় জাপানী মিলিয়ে একশোজনেরও বেশি লোক জড়ো হয়েছিল। IBCAJ-এর সভাপতি শ্রীস্বপন বিশ্বাস বলেন, এই অনুষ্ঠানের সাফল্য নির্ভর করেছে সদস্যদের প্রচেষ্টার উপর এবং অদূর ভবিষ্যতে তারা আরও আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চলেছে।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।