Skip to main content

NBI // রেলওয়ে মাল গোদাম ওয়ার্কারস রিভ্যালুয়েসন

কোন্নগর,হুগলি :- 
আজ হুগলির কোন্নগরে ভারতীয় রেলওয়ে মাল গোদাম শ্রমিক ইউনিয়নের  ( বি আর এম জি এস ইউ) উদ্দ্যোগে সারা বাংলার সমস্থ মাল গোদামের শ্রমিক প্রতিনিধি দের নিয়ে একটি জরুরী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। 



উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বি আর এম জি এস ইউ র উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ইন্দু শেখর চক্রবর্তী , সহ সম্পাদক শ্রী সম্বিক নিয়োগী, বিশিষ্ট প্রতিনিধি শ্রী সৌমেন ঘোষ,পার্থ প্রতিম ঘোষ,দীপাঞ্জন বিশ্বাস,  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী কৌশিক গাঙ্গুলি, সুমন ঘোষ,শম্ভু মন্ডল, ইন্সান সেখ,মিঠুন পাসয়ান ইত্যাদি বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ এবং  বাংলার ২০ টিরও বেশি গুড সেডের প্রতিনিধি বৃন্দ। 


গুরুত্বপূর্ণ সেড গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শ্রীরামপুর, নৈহাটি, খড়গপুর,বালি,টিটাগর,ব্যান্ডেল,মগরা,পাঁশকুঁড়া,নিমপূরা,কলাইকুন্ডলা,ইত্যাদি। মাল গোদাম শ্রমিকরা সেই ব্রিটিশ শাসন কাল থেকে আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে বঞ্চিত।  দীর্ঘ আন্দোলন করে এই ইউনিয়ন মাল গোদাম শ্রমিক দের জন্য পানীয় জল, স্নানাগার, বিশ্রামাগার, স্বাস্থকর কাজের পরিবেশ ইত্যাদি আগেই রেল পাস করে দিয়েছিল। এখন এদের মিনিমাম ওয়েজেস, ইন্সুইরেন্স, মেডিক্যাল বেনিফিট, পেনসন,ইত্যাদি সুবিধা ও ভারত সরকারের লেবার ডিপার্টমেন্ট মঞ্জুর করেছে। 




এই তথ্য শুনে শ্রমিক রা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এবং ইউনিয়নের জয় জয়কার করেন এবং সকলে মিলে ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার বদ্ধ হন।এর সাথে শ্রমিক দের প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা মাধমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় ।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।