Skip to main content

NBI // ইঞ্জিনিয়ার দের সংগঠন "প্রগ্রেসিভ ইউনাইটেড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের" পক্ষ থেকে কলকাতার মর্যাদাপূর্ণ ভাবে পালিত হল ইঞ্জিনিয়ার দিবস !

নিজস্ব প্রতিবেদক,কলকাতা  - ভারতরত্ন শিক্ষাবিদ বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার মোক্ষগুন্ডম বিশ্বেশ্বরায়ার জন্মদিনে জাতীয় ইঞ্জিনিয়ার্স দিবসে পশ্চিমবঙ্গের সর্ববৃহৎ ইঞ্জিনিয়ার দের সংগঠন প্রগ্রেসিভ ইউনাইটেড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কলকাতার মর্যাদাপূর্ণ প্রেক্ষাগৃহ 'ধনধান্য' তে মহাসমারোহে দিনটি পালন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

"দেশ গঠনে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা", "উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার", "Sustainable Development" সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলচনা করা হবে। ইঞ্জিনিয়াস ডে সেলিব্রেশানের পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারদের মান উন্নয়নের জন্য টেকনিক্যাল সেমিনারের আয়োজন করা হল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন কারিগরি বিভাগের প্রায় ১২০০ জন জন সর্বস্তরের ইঞ্জিনিয়ার উপস্থিত থাকলেন এই অনুষ্ঠানে। 

সমস্ত দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার সহ সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের সম্বর্ধিত করা হলো এই অনুষ্ঠানে। এই মহতী অনুষ্ঠানটি শুভ সূচনা করলেন মাননীয় ডক্টর মানসরঞ্জন ভূইয়া মহাশয়,মাননীয় মন্ত্রী জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগ এবং সেচ ও জলপথ বিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের চেয়ারম্যান। 
রাজ্য কর্মচারী ফেডারেশনের কনভেনার মাননীয় শ্রী প্রতাপ নায়েক মহাশয়l বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকলেন কারিগরি শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রী মাননীয় ইন্দ্রনীল সেন মহাশয l
উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ঘোষ মহাশয় ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার অনির্বাণ ওঝা মহাশয় সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দI এছাড়াও বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরের আধিকারিকগণ। 
এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য হল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের মূল্যায়ন করা এবং তাদের সম্মান জানানো, পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক দিবস আছে, ডক্টর দিবস আছে, ইঞ্জিনিয়ারদের Engineer's Day কেন থাকবে না, তাই আপনাদের মাধ্যমে এই সংগঠন দাবি রাখে টিচার্স ডে, ডক্টরস ডে এর মত ইঞ্জিনিয়ার্স ডে কে সরকারিভাবে সর্বসাধারণের মধ্যে পালন করার l

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।