Skip to main content

NBI // সঞ্জীব পোদ্দারের বাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোতে আলোক চিত্র শিল্পী অনুপম হালদার !

ডিজিটাল ডেস্ক,কলকাতা :- 
বাংলাদেশের বাড়িতে মহা ধুমধামে দুর্গা পুজো হয়। কিন্তু এ দেশে আসার পর প্রতি বছর দেশের বাড়ির দুর্গা পুজোয় সামিল হবার সুযোগ হয়ে ওঠে না সঞ্জীব পোদ্দারের। তাই কলকাতায় নিজের বাড়িতে দুর্গা পুজো করার ইচ্ছা হয় তাঁর। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও, সময়ের যে বড় অভাব। কারণ, যেমন তেমন করে পুজো করলেই তো হবে না। 

নিষ্ঠা ভরে, নিয়ম ও রীতিনীতি মেনে চারদিন ধরে দুর্গা পুজো করতে হবে। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন, জগদ্ধাত্রী পুজো করার। একদিনেই সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী বিহিত পুজো করা যাবে। সেই ভাবনা থেকেই পনের বছর আগে কলকাতার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের ধারে দুর্গা বাড়ির কাছে শুরু করেছিলেন জগদ্ধাত্রী পুজো। 

এবছরও অত্যন্ত জাঁকজমক সহকারে জগদ্ধাত্রী পুজো করলেন সঞ্জীব বাবু। এবারের প্রতিমা প্রচলিত জগদ্ধাত্রীর রূপ নয়। মাতৃ প্রতিমার রূপ দেওয়া হয়েছে সঞ্জীব বাবুর ভাবনা অনুসারে। মা জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে রয়েছেন দেবাদিদেব মহাদেব। মায়ের হাতে নেই কোন অস্ত্র। সেগুলো রাখা হয়েছে মায়ের পায়ের কাছে। 
১০ নভেম্বর রবিবার, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী বিহিত পুজোর পাশাপাশি কুমারী পুজোও করা হয়। সাড়ে চার বছরের এক বালিকাকে কালিকা নামে পুজো করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য ছিল অন্ন ভোগের আয়োজন। 

সঞ্জীব বাবুর স্ত্রী শিল্পী পোদ্দার জানিয়েছেন, আগে পুজোর দিন দরিদ্র নারায়ণ সেবা ও বস্ত্র বিতরণ করা হতো। কয়েক বছর ধরে জগদ্ধাত্রী পুজোর পরে তারাপীঠ কিংবা শান্তিনিকেতনে গিয়ে দরিদ্র নারায়ণ সেবা ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়। এবারও প্রায় এক হাজার মানুষকে খাবার ও বস্ত্র দেওয়া হবে। 

পুজোয় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী ও রাজ্য সরকারের রাজস্ব বিভাগের যুগ্ম কমিশনার অনুপম হালদার এবং রাজস্ব বিভাগেরই আর এক যুগ্ম কমিশনার পাঞ্চালী মুন্সী। অনুপম হালদার বলেন, " মাতৃশক্তির আরাধনাই সব নয়। নারীকে যেন আমরা যথার্থভাবেই সম্মান করতে পারি। মায়ের কাছে প্রার্থনা করলাম, যেন নিজেকে উন্নত করে সুচিন্তা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।"

Comments

Popular posts from this blog

NBI // বেলগাছিয়ায় ঐতিহ্যবাহী খুঁটি পুজো—২০২৬ দুর্গাপুজোর সূচনা আনুষ্ঠানিকভাবে।।

কলকাতা: রথযাত্রার পবিত্র তিথিকে সামনে রেখে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া অঞ্চলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল ঐতিহ্যবাহী “খুঁটি পুজো”। বেলগাছিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পর্ব। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ নির্মাণের শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে খুঁটি পুজো বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে পূজার আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি ও উৎসাহের পরিবেশে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা , সম্পাদক অভিষেক দাস,কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁদের পাশাপাশি এলাকার বহু বাসিন্দা এই শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং দুর্গোৎসবের সূচনায় সামিল হন।পুজোর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা দুর্গার আশীর্বাদ কামনা করে উদ্যোক্তারা জানান, এই খুঁটি পুজোর মাধ্যমেই এবারের দুর্গোৎসবের পথচলা শুরু হল। তাঁরা আশাবাদী, সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণে আসন্ন দুর্গাপুজো আরও সাফল্যমণ্ডিত ও বর্ণময় হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মঙ্গল, শান্তি...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI // সাফল্যের ৬০ দিন পূর্তি: 'পোড়া বাঁশি'র উদযাপনে পরিচালক-অভিনেতাদের বর্ণাঢ্য সমাবেশ।।

ডিজিটাল ডেস্কঃ  সাম্প্রতিক টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে "তারামা মোশন পিকচারস" ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস নিবেদিত পরিচালক, শুভম দাস পরিচালিত মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমা"পোড়া বাঁশি"র 60 Days celebration party অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রোডাকশন হাউসের নিজস্ব অফিসে। কেক কেটে সেলিব্রেশানের শুভ সূচনা হয়।  দ্বিতীয় পর্যায়ে বিশিষ্ট গুণীজনদের সহিত অন্যান্য পরিচালক, টেকনিশিয়ানস ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিশেষ সম্বর্ধনার দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আড্ডা খাওয়া দাওয়া এবং শিল্পীদের নাচ-গানের মধ্য দিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের জমজমাট সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোগ্রাহী হয়ে উঠে।   উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট পরিচালক স্বপন সাহা, বিশিষ্ট অভিনেত্রী অনামিকা সাহা, পরিচালক শুভম দাস, শাস্ত্রীজি, প্লেব্যাক সিঙ্গার-অর্ণব ব্যানার্জি, গুরিয়া, কোরিওগ্রাফার-রত্না, পরিচালক কাঞ্চন নাগ, অনসূয়া সামন্ত, সরস্বতী দাস,রুনা (রায়না বূটিক), হাউস ইনচার্জ-রিনা দাস, হাউস ম্যানেজার-পবিত্র হালদার।  হিরোইনদের মধ্যে উপস্থিত ছিল-বনশ্রী, মৌপ্রিয়া, পৌলোমী, সিউ, সোনু,  অনসূয়া। অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ‍্যে উপস্থিত ছিল-মাধব,সৌমক, সুপ্রভাত...