Skip to main content

NBI // অনিমেষ তরফদার পরিচালিত নতুন নাটক " দূর্গা দন্ড " এই বর্তমান সময়ের এক অনবদ্য প্রতিবাদী নাটক

নিউজ ডেস্ক:- 
আমাদের সমাজের চারপাশে
 প্রতিদিন কর্মস্থলে বা বাড়িতে অথবা নানা জায়গায় মহিলারা নির্যাতিত হচ্ছে। এই কুকীর্তিতে জড়িয়ে রয়েছে পাড়ার গুণ্ডা মস্তান থেকে নেতা নেত্রীরা। এত প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, আইন আদালত এ সব করে অপরাধী রা কি শাস্তি পাবে ? এই রকম একটা স্পর্শকাতর বিষয় কে নিয়ে গত ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধায় ঢাকুরিয়ার মধুসূদন মঞ্চে মঞ্চস্থ হলো প্রত্যাবর্তন এর নতুন নাটক " দূর্গা দণ্ড "।
এই নাটকটি সংক্ষেপে হলো
ভানুমতি-এর কোঠা এখন নামেই। কাটিয়া নগর থানায় অন্তর্গত ‘ভানুমতি’-এর কোঠা এখন দূর্গা দেবীর নিয়ন্ত্রনে। সরকারী তকমা থাকলেও ভানুমতি-এর কোঠায় দূর্গা দেবীর তত্বাবধানে গড়ে উঠেছে অবহেলিত- অত্যাচারিত মহিলাদের স্বনির্ভর প্রকল্প।
স্বনির্ভরতার সাথে সাথে সে তার কোঠায় চাঁদনী,মানু ও অনাথ বাচ্ছা ছেলে পালুকে নিয়ে সাংস্কৃতিক একটা পরিমন্ডলও গড়ে তোলে। এই সমাজ সেবা মূলক কাজকর্মকে মেনে নিতে পারেনা রাজনৈতিক ক্ষমতা সম্পন্ন-সমাজ বিরোধী দাদা ‘ন্যাপা’। তবে ঘটনার মূলপর্ব তৈরী হতে থাকে ভানুমতি-এর কোঠায় বেচে দেওয়া নাবালীকা ‘তনুশ্রী’ বা ‘ঊর্মি’ উপস্থিতির পর থেকে। রাজনৈতীক ক্ষমতাবল তো বটেই, প্রষাশনকে হাতে করে লালসার নোংরা খেলায় মেতে ওঠে ন্যাপারা। 
কিন্তু ‘দামিনী’ থেকে ‘দূর্গা’ হয়ে ওঠা শক্তির প্রতিরূপ দূর্গা দেবী প্রতিরোধের দেওয়াল গড়ে তোলে। 
       এক কালী পূজার রাতে নাবালীকা ঊর্মিকে ন্যাপা ও তার দলবল সহ ধর্ষণ করে! রুদ্র মূর্তি দুর্গা মা কালীর সামনেই, তাঁর খাঁড়া দিয়ে বলি দেয় ‘ন্যাপা’ নামের সামাজিক অবক্ষয়ের অসুরকে। 
      ভানুমতির আশির্বাদে ‘দামিনী’ থেকে হয়ে ওঠা ‘দূর্গা’ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে তার ‘দন্ড’-এর মধ্যে দিয়ে। 

নাটক,মঞ্চ পরিকল্পনা, আবহ পরিকল্পনা, পোষাক পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিশেষ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে অনিমেষ তরফদার।
 বিভিন্ন চরিত্রে চমৎকার অভিনয় করেছেন
দূর্গা দেবী- সোমা ব্যানার্জী,
চাঁদনী- স্বাগতা মন্ডল,
মানু- দেবশ্রী রায়শীল, 
তনুশ্রী/ঊর্মি-কৌশানি বসু, দামিনী (যুবতী দূর্গা )- কঙ্কনা, ভানুমতি- রিম্পা ,
ন্যাপা- গৌতম শিকারী ,
শ্যাম- সৌভির রায়,
ফটিক- আশিষ বিক্রম, 
রামচন্দ্র- অনিমেষ তরফদার
মদন (কনস্টেবল)- কৃষ্ণ বৈরাগী, 
পালু- অরিশ তরফদার। এছাড়াও ছোটদের মধ্যে
অভ্রনীল বক্সি ,নিধি মন্ডল, মধুরিমা মন্ডলের অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল।
এই নাটকে যিনি গান গেয়েছেন তিনি হলেন গার্গী মুখার্জী।
নেপথ্যে- সায়নী, প্রিয়াঙ্কা, ঋতম মন্ডল যথাযথ।
 আলো, আবহ এবং রূপ সজ্জায় ছিলেন মলয় চ্যাটার্জী , দিগ্বিজয় বিশ্বাস ও মহঃ ইব্রাহিম। দু ঘণ্টার এই নাটকটি
হল ভর্তি দর্শকদের মনে দারুন উচ্ছাস সৃষ্টি করেছে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।