Skip to main content

NBI // প্রকৃতি সচেতনতা বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ মার্লিন গ্রুপের

নিউজ ডেস্ক 
মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে সুসম্পর্ক ও অস্তিত্ব সচেতনতা তৈরি করতে দ্বিতীয়বার এমন উদ্যোগ নিল মার্লিন গ্রুপ। কলকাতার প্রকৃতিকে ক্যামেরায় তুলে ধরতে নেচার ফটোগ্রাফি কনটেস্ট এর মত আকর্ষণীয় উদ্যোগ নিয়েছে এই সংস্থা। এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার নাম মার্লিন গ্রিন ফ্রেমস ২০২৪। এই ধরনের উদ্যোগের আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হল পরিবেশ সংরক্ষণ, মানুষ এবং প্রকৃতির অন্যান্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর সহাবস্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

আজ প্রিন্সটন ক্লাবে অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন, মার্লিন গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী সুশীল মোহতা , দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভাগীয় প্রাক্তন বন কর্মকর্তা ও বর্তমানে জাইকা এর জয়েন্ট ডিরেক্টর শ্রী মিলন মন্ডল , বিশিস্ট অধ্যাপক এবং তথ্যচিত্র পরিচালক শ্রীমতি শুভা দাস মল্লিক ও পুরস্কার বিজয়ী ফটোগ্রাফার লেখক এবং এই বছরের প্রতিযোগিতার মেন্টর সন্দিপন মুখার্জীর এবং ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফিক একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও ফটোগ্রাফার সায়ন চৌধুরীর মত বিশিষ্টরা।  এই প্রতিযোগিতার নলেজ পার্টনার হিসাবেও রয়েছেন ইন্ডিয়ান ফটোগ্রাফিক একাডেমি। 
উল্লেখ্য গতবারের এই নেচার ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা থেকে উঠে এসেছিল অনেক হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির ছবি, তাদের মধ্যে ছিল, বিশেষ প্রজাতির শেয়াল ও পাখি, জংলী বিড়াল সহ কলকাতার অন্দরের পরিবেশের ছবি। চলতি বছর এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ১০০ এর বেশি ফটোগ্রাফার। যাদের ছবি নিয়ে পরবর্তীতে অ্যাক্রোপলিস মলে চিত্র প্রদর্শণী করা হবে জানিয়েছেন মার্লিন গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী সুশীল মোহতা।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।