Skip to main content

NBI // ফটোফুনিয়া' র ষষ্ঠ আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে কলকাতায় !

কলকাতা (ডিসেম্বর '২৪):-  
'ফটোফুনিয়া' র ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে কলকাতার আইসিসিআর এর বেঙ্গল গ্যালারিতে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের সন্ধ্যায় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থমন্ত্রকের অধীন রাজস্ব বিভাগের অন্যতম যুগ্ম আয়ুক্ত তথা বিশিষ্ট আলোকচিত্রী অনুপম হালদার, 'লাইট রিডিং ফটোগ্রাফি'-র প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও প্রদর্শনীর বিচারক সন্তু অধিকারী ও অভিনেতা ঋদ্ধি সেন।

ফটোফুনিয়া-র দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্ব সুব্রত রায়চৌধুরী ও জয়ন্তী সরকার জানিয়েছেন, প্রদর্শনীতে প্রকৃতি, বন্য জীবন, পাখি, দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, ভ্রমণ প্রভৃতি আটটি বিভাগে দেশ বিদেশের ১০৮ জন আলোকচিত্রীর ৩০৫ টা আলোকচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।

আলোকচিত্রী অনুপম হালদার বলেন, "ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় থেকেও কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন শুধুমাত্র ফটোগ্রাফিকে ভালোবেসে একটা প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য। এটা  খুবই আনন্দের বিষয়।"

অভিনেতা ঋদ্ধি সেন বলেন, "একটা উন্নতমানের ক্যামেরা বা মোবাইল থাকলেই ভালো ছবি তোলা যায় না। এর জন্য বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সেই বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ দেখা যায়।"

আলোকচিত্রী এবং আলোকচিত্র পরামর্শদাতা ও বিচারক সন্তু অধিকারী বলেন, সোস্যাল মিডিয়া গ্ৰুপের এই রকম একটা বড় প্রদর্শনী সত্যি প্রশংসনীয়। সবচেয়ে বড় কথা এখানে মোবাইলে তোলা ছবিও প্রদর্শিত হয়েছে অর্থাৎ পেশাদার এবং শখের আলোকচিত্রী উভয়েই এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন।

দু'দিনের এই প্রদর্শনী চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দর্শকরা দুপুর ৩ টে থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত প্রদর্শনী ঘুরে দেখতে পারবেন।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।