Skip to main content

NBI // ফ্যাশন , মিউজিক ও শিল্পের মেলবন্ধন - এস ফ্যাক্টর ফ্যাশন শো

ডিজিটাল ডেস্ক :- আবির্ভাব লগ্নেই বাজিমাত করে দিল 'সাউণ্ড অব সোম প্রোডাকশনস' আয়োজিত ফ্যাশন শো 'এস ফ্যাক্টর' এবং 'আইকনিক পি আর'-এর যুগলবন্দি। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, 'এই দুই সংস্থার মেলবন্ধন নতুন এক যুগের সূচনা করল কোলকাতায়।' 

অভিনবত্ব, প্রতিভা ও বৈচিত্র্যের উদযাপনের সাক্ষী হয়ে রইলো শহর কলকাতা। আর এ সবেরই মিশেল দেখা গেলো 'সাউন্ড অফ সোম প্রোডাকশনস্' আয়োজিত প্রথম 'এস ফ্যাক্টর ফ্যাশন শো' তে।

গতকাল সন্ধ্যায় বাইপাস সংলগ্ন একটি ক্লাবে আয়োজিত এই শোয়ে আশি জন প্রতিশ্রুতিবান মডেল অংশ নেয়। মিস্টার, মিস্ এবং মিসেস - এই তিনটি বিভাগ ছাড়াও বাচ্চাদের জন্য ছিল একটি বিশেষ বিভাগ। প্রতিটি বিভাগের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের জন্য ছিল পুরস্কার। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের সবাইকে মেমেন্টো ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। 
এই ফ্যাশন শোয়ের বিচারক ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সুদীপ রঞ্জন সরকার, ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা ও ফ্যাশন ডিজাইনার ইন্দ্রনীল মুখার্জি।

'সাউন্ড অফ সোম প্রোডাকশনস্' এর প্রতিষ্ঠাতা সোমক সিনহা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, এটা শুধু মাত্র একটা ফ্যাশন শো নয়। এই শো হলো - এক ছাদের তলায় ফ্যাশন, মিউজিক ও শিল্পের মেলবন্ধন। এস ফ্যাক্টরের লক্ষ্য হলো সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটানো।

'সাউন্ড অফ সোম প্রোডাকশনস্' এর অপর প্রতিষ্ঠাতা বিজলী ঘোষ কর্মকার জানিয়েছেন, এই ফ্যাশন শোয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে নির্বাচিত বেশ কয়েকজন মডেলকে তাঁদের প্রোডাকশনস্ এর ব্যানারে নির্মিত আগামী স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রে সুযোগ দেওয়া হবে। 

উল্লেখ্য, ফ্যাশন শোয়ের পাশাপাশি এদিন সাউন্ড অফ সোম প্রোডাকশনস্ এর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এছাড়াও দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত একটি ক্ষুদ্র ছবি প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অভিনেত্রী ও মডেল পারিজাত চক্রবর্তী, তালবাদ্য শিল্পী মল্লার ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজস্ব বিভাগের যুগ্ম কমিশনার পাঞ্চালী মুন্সী, বাণিজ্য কর অধি দপ্তরের সহকারী কমিশনার নাসকিন বক্স ও আরো অনেকে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।