Skip to main content

NBI // আই সি সি আর এর বেঙ্গল গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হল ফটোফুনিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফীর ষষ্ঠ বার্ষিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী !

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা :-
গত ২৫ ও ২৬শে ডিসেম্বর কলকাতার আই সি সি আর এর বেঙ্গল গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হল ফটোফুনিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফীর ষষ্ঠ বার্ষিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রথম দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফার শ্রী অনুপম হালদার, লাইট রিডিং ফটোগ্রাফীর কর্ণধার ফটোগ্রাফী মেন্টর ও জাজ শ্রী সন্তু অধিকারী এবং জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী সর্ব কনিষ্ঠ অভিনেতা শ্রী ঋদ্ধি সেন। 



দ্বিতীয় দিন পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক, পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় এবং জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী চিত্রশিল্পী শ্রী কিংশুক সরকার। অংশগ্রহণকারী ফটোগ্রাফারদের তাঁরা পুরস্কার প্রদান করেন। দেশ বিদেশের শতাধিক ফটোগ্রাফার পুরস্কৃত হন। 
এই চিত্র প্রদর্শনী করা হয় সব ধরনের ফটোগ্রাফারদের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে। আমাদের সম্মানীয় সদস্য সদস্যারা, যাঁরা ফটোগ্রাফিতে প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত, ব্যাকরণ মেনে ছবি তোলেন, তাঁরা ছাড়াও যাঁরা শুধুমাত্র ভালোবাসার টানে ছবি তোলেন তাঁদের, বিশেষ করে স্কুল কলেজের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের জন্যও একটি মঞ্চ তৈরি করাই এই প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য। 





আর এ তো শুধু এক্সিবিশন নয়, এ যে এক মিলন মেলা। যেখানে আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, ছত্তিশগড়, কেরালা, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। নাইজেরিয়া, আমেরিকা, আরব, বাংলাদেশ থেকেও ফটোগ্রাফাররা ছুটে আসেন। শুধু DSLR নয়, মোবাইলে তোলা ফটো নিয়েও প্রবল উৎসাহে ছুটে আসে বাঁকুড়া, বর্ধমান, মেদিনীপুর, কুচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, শিলিগুড়ি, হলদিবাড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া থেকে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা। এ এক আনন্দযজ্ঞ।পুরষ্কার এখানে গৌণ। ফটোগ্রাফীর মাধ্যমে আনন্দ খুঁজে নেওয়াই ফটোফুনিয়ার মূল মন্ত্র।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।