Skip to main content

NBI // হিন্দু সৎকার সমিতি' -র পরিচালনায় বাবা ভূতনাথ ধামে বিশেষ পূজা !


নিউজ ডেস্ক :- 'হিন্দু সৎকার সমিতি' -র পরিচালনায় গতকাল কলকাতার অন্যতম শৈবতীর্থ 'শ্রী শ্রী ভূতেশ্বর মন্দির'-এ হয়ে গেল 'বাবা ভূতনাথের সান্নিধ্যে এক সন্ধ্যা' নামাঙ্কিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
বলে রাখা ভালো, 'শ্রী শ্রী ভূতেশ্বর মন্দির'-এর অধিপতি দেবতাকে কলকাতাবাসী ভালোবেসে 'বাবা ভূতনাথ' বলে সম্বোধন করে থাকেন।

পত্রকারদের সাথে কথা বলতে গিয়ে 'হিন্দু সৎকার সমিতি'-র অছি পরিষদের সদস্য সঞ্জয় রায় জানিয়েছেন, "অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে অপরাহ্ণ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মুখে মন্দিরের অভ্যন্তরে বিশেষ পূজা, আরতি, ভজন ও কীর্তন-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

অপরদিকে হিন্দু সৎকার সমিতির অছি পরিষদের সদস্য তথা সাধারণ সম্পাদক সন্দীপকুমার মুখার্জি বলেছেন,
"লোকশ্রুতি অনুযায়ী, পুরাকালে বারাণসী থেকে আগত এক অঘোরী সন্ন্যাসী গঙ্গা নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত নিমতলা শ্মশানের পাশে 'বাবা ভূতনাথ'-এর পুণ্য লিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করে অঘোর মতে নিত্য পুজো শুরু করেন।
শৈবতন্ত্রের অধীন অঘোর মতের রীতি অনুযায়ী শুরুর দিন থেকে এখনো প্রতিদিন প্রত্যুষকালে শ্মশানের চিতা থেকে আহরিত ভস্ম দিয়ে বাবাকে ভস্মস্নান করানো হয়। কোলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গে এটাই একমাত্র শিবমন্দির যেখানে প্রতিদিন কাকভোরে পবিত্র শিবলিঙ্গকে ভস্মস্নান করানো হয়।
'শ্রী শ্রী ভূতেশ্বর মন্দির'-এর ভীত প্রতিষ্ঠা 'মল্লিক সম্প্রদায়' করলেও পরে ১৯৩৪ সাল থেকে এই মন্দিরের দেখভাল ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে 'হিন্দু সৎকার সমিতি'।"

গতকালের বিশেষ পূজা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন  রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের স্বামী সর্বহারানন্দ মহারাজ, কোলকাতা পৌরনিগমের অন্যতম পৌরপ্রতিনিধি বিজয় উপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম বরিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় বক্সি প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।

ভাব গম্ভীর পরিবেশে 'বাবা ভূতনাথ ধাম'-এ আয়োজিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানটা সুসঞ্চালনা করেন চন্দন ঘোষ ও অজয় পাল।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।