Skip to main content

NBI // রূপকথা'র বিশেষ আকর্ষণ মল্লযুদ্ধ !

নিজস্ব প্রতিনিধি: 
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির কথা বলে " রূপকথা"। প্রতিটি সংখ্যায় বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরে। এবার ডিসেম্বর সংখ্যায় "রূপকথা" র  মলাট " মল্লযুদ্ধ"। মহাকাব্যের  মল্লযুদ্ধ   পরে কুস্তি নামে পরিচিত। অলিম্পিকে ভারত অনেকবার কুস্তিতে পদক পেয়েছে। বাংলার কুস্তির ইতিহাস ও খুব গৌরবের।বাংলার কুস্তির প্রচার ও প্রসারে কাজ করে  পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতি। ১৫ ডিসেম্বর  পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতির বার্ষিক সভা হয় কলকাতার নেহরু চিলড্রেনস মিউজিয়াম। 


এদিন রূপকথা র কুস্তি সংখ্যাটি প্রকাশ করেন অল ইন্ডিয়া কুস্তি ফেডারেশন এর সভাপতি সঞ্জয় কুমার সিং, পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অসিত কুমার সাহা,  সদ্য নির্বাচিত সভাপতি গৌতম ঘোষ,জেনারেল সেক্রেটারি শোভন চক্রবর্তী ও আরো অনেক। অল ইন্ডিয়া রেসলিং ফেডারেশন এর প্রেসিডেন্ট  সঞ্জয় কুমার সিংহ  রূপকথা র এই বিশেষ সংখ্যার প্রশংসা করে ইংরিজি ও হিন্দিতে সংখ্যাটি বের করার অনুরোধ জানান। 



২৪ পাতার রঙিন " মল্লযুদ্ধ " সংখ্যায় রয়েছে, ইতিহাসে মূর্তি আর চিত্রে কুস্তি, ভারতে  মল্লযুদ্ধ থেকে কুস্তির  প্রসার, বাংলার কুস্তির উন্নতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতির প্রাক্তন সভাপতি অসিত কুমার সাহার একান্ত আলোচনা, নানা জেলার কুস্তি সমিতির অবদান, বিখ্যাত বাঙালি যাঁরা কুস্তি করেছেন,  বাঙালি সেলিব্রিটি যারা কুস্তি ভালোবাসেন। বিশেষ আকর্ষণ  আই সি এম এ আই এর প্রাক্তন সভাপতি মানস কুমার ঠাকুরের কিংবদন্তি শিল্পপতি রতন টাটার স্মরণ। 


পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতির নতুন  পরিচালন সমিতি:
এদিনের সভায় পশ্চিমবঙ্গ কুস্তি সমিতির নতুন কমিটি গঠন হয়। এই কমিটিতে রয়েছেন:প্রেসিডেন্ট:-  গৌতম ঘোষ,সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট:- অসিত কুমার সাহা,জেনারেল সেক্রেটারি:-  শোভন চক্রবর্তী ,ট্রেজারার:- শম্পা পোদ্দার ,ভাইস প্রেসিডেন্ট ১) অরুণাংশু সাহা ২) অনিল কুমার শর্মা ( বি.এস.এফ)৩) শ্বেতা দুবে ৪) প্রেম প্রকাশ সিং জয়েন্ট সেক্রেটারি:- ১) ভরত রায় ২) নন্দন দেবনাথ ,,এক্সিকিউটিভ মেম্বার:- ভাস্কর দাস,প্রশান্ত বর্মন,শুভ বিশ্বাস, দেবাশিস চক্রবর্তী,আশীষ কুমার রায়।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।