Skip to main content

NBI // রতন দত্ত সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ৪৩তম রক্ত ও কম্বল দান শিবির  !

কলকাতা (২ জানুয়ারী '২৫):- 
নতুন ইংরেজি বছরের দ্বিতীয় দিনেই প্রয়াত রতন দত্ত-র স্মরণে কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিট-এর ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্ম মন্দির-এ '৪৩ তম স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির'-এর আয়োজন করল 'রতন দত্ত সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি'। একই সাথে এলাকার দীন দরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র রূপে কম্বলও বিতরণ করল এই সংস্থা।

বলে রাখা ভালো, ১৯৮২ সালের ১৮ মার্চ সমাজবিরোধীদের হাতে নিহত হন ২৮ বর্ষীয় রতন দত্ত।
রতন দত্ত-র অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর তার দাদা স্বপন দত্ত-কে এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী বিজয়কৃষ্ণ রায় পরামর্শ দেন 'তোমার ভাইকে জনসাধারণের মধ্যে অমর করে রাখার জন্য ওর স্মরণে একটা সমাজসেবী সংগঠন তৈরি করে তার মাধ্যমে প্রতিবছর সমাজসেবা মূলক বিভিন্ন কার্যকলাপ শুরু কর।' এই পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতেই স্বপন দত্ত 'রতন দত্ত সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি' তৈরী করে রক্তদান ও শীতবস্ত্রদান শিবির শুরু করেছিলেন।

রক্তদান ও শীতবস্ত্রদান শিবিরে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সদস্য ও সদস্যাদের উৎসাহিত করে যান তৃণমূল কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় বক্সি, স্থানীয় বরোর অধ্যক্ষ স্বপন সমাদ্দার, কলকাতা পৌরনিগমের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি সুপর্ণা দত্ত, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সৌম বক্সি, হিন্দু সৎকার সমিতির অছি পরিষদের সদস্য সঞ্জয় রায়, নিরঞ্জন মিত্র (টুলটুল), বাদল ভট্টাচার্য, প্রবন্ধ রায় ওরফে ফান্টা সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।

সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্পাদক সোমনাথ ব্যানার্জি জানিয়েছেন, "আজ রক্তদান শিবিরে ৭০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন, অপরপক্ষে সংগঠনের তরফ থেকে আজ সন্ধ্যায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে এলাকার একশো জন দীন দরিদ্র মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হবে।"

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।