Skip to main content

NBI // পনেরো তম বর্ষে কুমুদ সাহিত্য মেলা যেন 'চাঁদের হাট' !

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

'বাড়ি আমার ভাঙন ধরা অজয় নদের বাঁকে, জল যেখানে সোহাগ করে স্থল কে ঘিরে রাখে', হ্যাঁ পল্লি ও প্রকৃতি প্রেমিক কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের এই কবিতার লাইন আট থেকে আশি প্রত্যেকেই জানে। সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের কোগ্রামে পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের বসতভিটে 'মধুকর' প্রাঙ্গনে  মহাসমারোহে পালিত হলো কুমুদ সাহিত্য মেলা। এবার পনেরো বছরে পড়লো দক্ষিণবঙ্গের বৃহত্তর এই সাহিত্য মেলা টি।




কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সম্পাদক মোল্লা জসিমউদ্দিন ২০১০ সালে এই সাহিত্য মেলা শুরু করেন। এদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টে অবধি চলে সাহিত্য - সংস্কৃতি বিষয়ক সভাটি।এবার যুগ্ম উদ্বোধক হিসাবে ছিলেন  জনাব আনসার মন্ডল (এজিপি - কলকাতা হাইকোর্ট) এবং শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় (সাধারণ সম্পাদক - রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটি)। যুগ্ম প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন  পদ্মশ্রী প্রাপক লোকসংগীত শিল্পী শ্রী রতন কাহার ।যুগ্ম অনুষ্ঠান সভাপতি হিসাবে ছিলেন  শ্রী দিলীপ বিশ্বাস (ডেপুটি সেক্রেটারি - রাজ্য যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর) এবং জনাব শফিকুল ইসলাম দুলাল ( সাংবাদিক ও সঞ্চালক)। 





বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে ছিলেন  শ্রী সমরেন্দু চক্রবর্তী ( মুখ্য আইন প্রশিক্ষক - আরক্ষা প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় কলকাতা পুলিশ), শ্রী মধুসূদন ঘোষ (আইসি -মঙ্গলকোট), শ্রী সঞ্জয় ঘোষ ( ভাইস চেয়ারম্যান - বর্ধমান জেলা বার এসোসিয়েশন), শ্রী সমীর মজুমদার ( অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক - কলকাতা ১৭ নং চক্র), সোনালী কাজি (সঙ্গীতশিল্পী ও বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলাম এর নাতনি),   ডক্টর রমজান আলি (লেখক),  শ্রী মধু সূদন কোঁয়ার (সমাজসেবী), প্রমুখ। সোমবার ১৫ জন কে গুণীজন সংবর্ধনা দেওয়া হয় উক্ত কমিটির তরফে। 






এবার  সংবর্ধনা পেলেন  শ্রী সমীর গোস্বামী ( প্রাক্তন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক - ভারতীয় রেল), শ্রী চন্দ্রশেখর বাগ (আইনজীবী - কলকাতা হাইকোর্ট), শ্রী উত্তাল ঘোষ (বর্ষীয়ান সাংবাদিক),  শ্রী সত্যকাম বাগচী(নজরুল গবেষক), শ্রী বিশ্বরুপ সিনহা (সাংস্কৃতিক উদ্যোগী), শ্রী তীর্থঙ্কর দে ( শিক্ষাব্রতী), জনাব আব্দুল জব্বার ( কবি ও সমাজসেবী),  প্রসেনজিৎ সামন্ত(সাংবাদিক), সাহানা খাতুন ( আদালত কর্মী),  ঋষিগোপাল মন্ডল (সাংবাদিক), সেখ আনসার আলী (কবি),শ্রী রাধামাধব মুখার্জি(কবি) শ্রী শান্তিময় ঘোষ (গীতিকার) শ্রী জয়ন্ত কুমার ধারা ( প্রাক্তন বনাঞ্চল আধিকারিক), জনাব রেজাউল হক (ব্যবসায়ী) ।আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্পী দীপঙ্কর সমাদ্দার এর অনুষ্ঠানে কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক কে নিয়ে লাইভ পেইন্টিং  ছবিটি পদ্মশ্রী রতন কাহারের হাতে তুলে দিলেন মেলা কমিটির পক্ষে মোল্লা জসিমউদ্দিন।কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা জসিমউদ্দিন জানান -" পল্লিকবির চিন্তাধারা কে সামনে রেখে সাহিত্য - সাংস্কৃতিক জগতের মানুষজনদের এক ছাতার তলায় আনার চেষ্টা করি"।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।