Skip to main content

NBI // দক্ষিণ কলকাতার উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজ ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্য শিবির !

স্থানীয় মানুষের বিশেষ করে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের কল্যাণে একটি সক্রিয় পদক্ষেপ হিসেবে, দক্ষিণ কলকাতার উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের এনএসএস ইউনিট এবং হেলথ অ্যান্ড হাইজিন কমিট ফোর্টিস হাসপাতালের সাথে যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে কলেজ ক্যাম্পাসে একদিনব্যাপী স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করে।





শিবিরে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ছিল সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা, ওজন পরিমাপ, র‍্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS) টেস্ট, রক্তচাপ (BP) পরিমাপ, ইসিজি (ECG), এবং চোখের পরীক্ষা। এই উদ্যোগটি ছাত্র-ছাত্রী, তাদের অভিভাবক, কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারী, এবং আশপাশের এলাকার প্রান্তিক জনগণের জন্য উন্মুক্ত ছিল, যা কলেজের অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমাজমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে।




অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সকল শ্রেণির মানুষের উদ্দীপনাপূর্ণ অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। পাশ্ববর্তী সাহেব বাগান এলাকার আর্থিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চিত বহু মানুষ এই শিবিরে অংশগ্রহণ করেন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। অনেক অভিভাবকও সক্রিয়ভাবে এই উদ্যোগে অংশ নেন, যা প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য সচেতনতার বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে।





কলেজের অধ্যক্ষা ড. অজন্তা পাল শিবিরের সুষ্ঠু পরিচালনা ও ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সমাজের প্রান্তিক জনগণের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই স্বাস্থ্য শিবিরের সফলতা উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাদান এবং সমাজসেবামূলক অঙ্গীকারকে পুনরায় নিশ্চিত করে, যা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।