Skip to main content

অ্যান্টিকের খোঁজে কলকাতায় এলেন খ্যাতনামা অ্যান্টিক সংগ্রাহক সুনীত শ্রীমল

ডিজিটাল ডেস্ক:- 
"আমি মুম্বাই থেকে কলকাতায় এসেছি শুধুমাত্র আপনাদের জন্য!"
এভাবেই আন্তরিকতার সঙ্গে শুরু করলেন সুনীত শ্রীমল, একজন খ্যাতনামা এন্টিক সংগ্রাহক। তিনি বর্তমানে ভারতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দুর্লভ ও ঐতিহাসিক জিনিসপত্র সংগ্রহ করছেন—কেবল সংগ্রহই নয়, সেইসব জিনিসপত্রের মাধ্যমে অতীতের মূল্যবোধকেও তুলে ধরছেন।

কলকাতার আইকনিক স্পটে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপরিচিত অভিনেত্রী ও মডেল সাথী সরকার, এবং কলকাতার গর্ব, বিখ্যাত মডেল "মিস কলকাতা" মাধবীলতা। তাঁদের উপস্থিতিতে পরিবেশটি হয়ে উঠেছিল অতীত ও বর্তমানের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র।

 *সাংবাদিকদের প্রশ্নে সুনীত শ্রীমল বললেন:* 

প্রশ্ন: “আপনার এই কলকাতা সফরের বিশেষ উদ্দেশ্য কী?”
সুনীত শ্রীমল:
“আমি মুম্বাই থেকে এসেছি শুধুই আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। যদি কারও কাছে বহু পুরনো কোনো এন্টিক জিনিসপত্র থেকে থাকে যেগুলো আর ব্যবহার হচ্ছে না—আসবাবপত্র, ঘড়ি, জুয়েলারি, বাসনকোসন, এমনকি পুরনো জামাকাপড়ও—তাহলে আমরা সেই সব সংগ্রহ করতে আগ্রহী। উপযুক্ত মূল্য দিয়েই আমরা কিনে থাকি, কারণ আমাদের বিশ্বাস—Old is Gold।”

প্রশ্ন: “এই এন্টিক সংগ্রহের নেপথ্যে কি কোনো আবেগ কাজ করে?”
সুনীত:
“অবশ্যই। প্রতিটি পুরনো জিনিসের পেছনে থাকে একটা গল্প, একটা ইতিহাস। আমি শুধু একটি বস্তু কিনছি না—একটা সময়, একটা আবেগ, একটা স্মৃতি কিনছি। এই কারণেই আমি নিজে এলাম, কোনো এজেন্ট বা প্রতিনিধি পাঠালাম না।”

■ সাথী সরকার বলেন:

“এটা শুধু একটা বাণিজ্যিক উদ্যোগ নয়, এটা হল সংস্কৃতির সংরক্ষণ। সুনীতজির উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”

■ মাধবীলতার মন্তব্য:

“আজকের প্রজন্ম পুরোনো জিনিসপত্রকে অপ্রয়োজনীয় ভাবে ফেলে দেয়। অথচ সেই জিনিসগুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অতীতের গৌরব। এই ধরনের প্রয়াস নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দিচ্ছে।”

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।