Skip to main content

"সাকমান ভাগ্য" ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে "মিশন শক্তি নারী ২০২৫" নামাঙ্কিত ফ্যাশন শো !

ডিজিটাল ডেস্কঃ 
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং  ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় "সাকমান ভাগ্য" ফাউন্ডেশন উদ্যোগে ৫ই জুলাই ২০২৫ তারিখে হাওড়ার ফরচুন পার্ক পঞ্চবটি নামক একটি বিলাসবহুল হোটেলে "মিশন শক্তি নারী" নামক একটি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। 

কারগিল বিজয় দিবস সেলিব্রেশন ও সদ্য ঘটে যাওয়া "অপারেশন সিন্দুর" বিষয়ও উদযাপন করা হয়। উক্ত ফ্যাশন শোতে আধুনিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক অভূতপূর্ব পোশাক ও রেম্প শো উপস্থাপনা করা হয়। জাতীয় সংগীত ও সিদ্ধি বিনায়ক মন্ত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।  উক্ত অনুষ্ঠান এ উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং  ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বরিষ্ঠ আধিকারিক গণ ।
"সাকমান ভাগ্য ফাউন্ডেশন" এর প্রধান পরিচালক ছিলেন আশুতোষ কুমার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার অতুল কুমার চৌধুরী। এ ছাড়াও অনেক নামি দামি ফ্যাশন ডিজাইনার উপস্থিত ছিলেন। 

ড্রিম কালচারের তরফ থেকে ফ্যাশন ডিজাইনার রঞ্জিতা ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন। তিনি একমাত্র ফ্যাশন ডিজাইনার যিনি ব্যক্তিগত সংস্থা হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ফাউন্ডেশনের একজন কর্ণধার আশুতোষ কুমার মহাশয় কে। রঞ্জিতা ভট্টাচার্য আরো জানান যে তার ফ্যাশন শো এর থিম হলো "ড্রিমল্যান্ড"। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নিতু সাহা। তার তৈরি পোশাক সকলের মন কেড়েছে। তার বক্তব্যে তিনি "ভারতবর্ষের আর্মি বিভাগের সকল যোদ্ধা ভাইদের সাথে তাদের বাড়িতে যে নারীশক্তি একজন প্রকৃত যোদ্ধা" সে কথা তুলে ধরেন। নিতু সাহা  আরো বলেন -এই সুন্দর অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করতে পারার জন্য তিনি ভারতবর্ষের আর্মি বিভাগের প্রতি খুবই কৃতজ্ঞ।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।