Skip to main content

১০০ শতাংশ হার্ট ব্লকেজ থেকেও প্রাণে বাঁচলেন বালুরঘাটের ৪০ বছর বয়সী গৃহবধূ, সময়মতো চিকিৎসায় নতুন জীবন পেলেন মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুরে !

বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর,২০২৫: 
মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুরে সময়োচিত চিকিৎসা এবং বিশেষজ্ঞদের যত্নে আরও একটি জীবন রক্ষা পেল। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের ৪০ বছর বয়সী গৃহবধূ ও মা, পুরবী সরকার মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং রক্তাল্পতায় ভুগছিলেন, তবে নিরবেই। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে – ক্লান্তি, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে শুরু করে। মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুরের বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. পারিজাত দেব চৌধুরীর পর্যালোচনায় জানা যায়, তাঁর হার্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধমনী – লেফট অ্যান্টেরিয়র ডিজেন্ডিং (এলএডি) – সম্পূর্ণভাবে, অর্থাৎ ১০০ শতাংশ ব্লক হয়ে গেছে। এই অবস্থায় সময় মতো সিদ্ধান্ত না নিলে প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল প্রবল।

ডা. দেব চৌধুরী এবং তাঁর টিম সময় নষ্ট না করে রোগীকে দ্রুত এবং নিরাপদ চিকিৎসার আওতায় আনেন। দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, বয়স এবং জটিলতা সত্ত্বেও, তাঁর জন্য একটি বিশেষভাবে তৈরি চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে, কোনো রকম ব্যথা বা রক্তপাত ছাড়াই, অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই ড্রাগ এলিউটিং স্টেন্ট ব্যবহার করে এনজিওপ্লাস্টি করা হয়। সার্জারির পরদিনই রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন।

ডা. পারিজাত দেব চৌধুরী, ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর বলেন, “৪৫ বছরের কম বয়সী মহিলাদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক খুব সাধারণ নয়, তবে অনেক সময় উপসর্গগুলি অস্পষ্ট হয় – যেমন ক্লান্তি, বমিভাব, অস্বস্তি – যেগুলিকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। এই কেসে রোগীর পরিবার সময়মতো সচেতন হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে। এটি প্রমাণ করে, শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিলে এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিলে ফলাফল সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।”

পুরবী সরকার মণ্ডল বলেন, “আমি শুরুতে বুঝতেই পারিনি আমার অবস্থা এতটা গুরুতর। তবে আমার পরিবার আমাকে বোঝায় ও উৎসাহ দেয় যাতে আমি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিই। মণিপাল হাসপাতালে এসে ডা. পারিজাত ম্যাডামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করানোটা ছিল সেরা সিদ্ধান্ত। আমি এখন ভালো আছি, আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছি।”

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।