Skip to main content

NBI // "সৃষ্টি ড্যান্স অ্যাকাডেমির" নতুন উদ্যোগ !


 
                                                ছবিঃ-  মৃত্যুঞ্জয় রায় 

কলকাতা,ডিজিটাল ডেস্কঃ   "সৃষ্টি ড্যান্স একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ইন্দ্রানী গাঙ্গুলি পরিচালিত "আজও উত্তম"শীর্ষক ৩১ জুলাই ২০২৫  কলকাতার "দ্য পার্ক প্রাইম হোটেলে" একটি হৃদয়গ্রাহী এবং অর্থপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হল।
যেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুপম হালদার ডব্লিউবিসিএস (এক্সিকিউটিভ)যুগ্ম রাজস্ব কমিশনার পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং অন্তর্জাতিক আলোকচিত্র শিল্পী। 


এছাড়া ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী মাধবী মুখার্জি, লিলি চক্রবর্তী এবং তপতি ভট্টাচার্যের মতো কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি ছিলো আলোকউজ্জ্বল। এদিন উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা শঙ্কর ঘোষ, সাধন বাগচী, এবং সতীনাথ মুখোপাধ্যায়। অন্যান্য প্রতিভাবান এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান আলোক উষ্ণতায় ভরে ওঠে।





                                                   ছবিঃ- মৃত্যুঞ্জয় রায় 

অনুষ্ঠানটি ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি, বিশেষভাবে সক্ষম শিশু এবং অ্যাসিড আক্রমণের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের সাহস, মর্যাদা এবং তাদের প্রতিদিনের পথচলাকে সম্মান জানায়।
অনুষ্ঠানের বিষয়ে অনুপমবাবু জানান, শৈশবে স্কুলে পড়ার সময়ে উত্তম কুমারের অভিনীত ছবি দেখে বড়ো হওয়া। পাড়ার আড্ডায় তাঁর অনুকরণ করার চেষ্টা করেছি বন্ধুদের সামনে। উনি তো শুধু মহানায়ক নন। উনি বাঙালির জীবনে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত। তাঁর অভিনীত ছবি দেখে বাঙালি অন্য ধারায় ভাবতে শিখেছে। 




অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ইন্দ্রানী গাঙ্গুলী বলেন, শুধু বাংলা চলচ্চিত্র নয় সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে তিনি যে ভালোবাসা পেয়েছেন তা অভাবনীয়। যে সময় টুকু বাংলা চলচ্চিত্র জগতে তিনি ছিলেন সেই ক্ষনস্থায়ী সময়ে মহারাজের আসনে বিরাজ করেছেন। বাংলা চলচ্চিত্র যত দিন স্বমহিমায় থাকবে তিনিও মহানায়কের আসনে থাকবেন। এদিন উপস্থিত উজ্জ্বলতম ব্যক্তিত্বের একই কথা উচ্চারিত হল - " উত্তম আজও উত্তম "- মহানায়ক।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।