Skip to main content

NBI // গনেশ চতুর্থী আয়োজনে রহড়া 'গণপতি মহোৎসব পুজো কমিটি'!

নর্থ ২৪ পরগনা - 
খড়দহ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি স্নেহাশিস পাল, বারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুকুমার শীল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি পরিষেবা বিভাগের প্রাক্তন মহানির্দেশক গোপালকৃষ্ণ ভট্টাচার্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি বিভাগের অন্যতম যুগ্ম আয়ুক্ত অনুপম হালদার, প্রখ্যাত সাংবাদিক তথা অভিনেতা ডঃ ঋতব্রত ভট্টাচার্য, সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়, চলচ্চিত্র নির্দেশক শিউলি গোমস ও অনুসূয়া সামন্ত, মডেল তথা অভিনেত্রী সাথী সরকার সহ একঝাঁক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উন্মোচিত হল রহড়ার 'গণপতি মহোৎসব পুজো কমিটি' আয়োজিত গণেশ মূর্তি তথা মণ্ডপ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম কমিশনার অনুপম হালদার জানান গনেশ পুজো দিয়েই বাঙালির উৎসবের শুরু হয়। সমাজের এরকম অস্থির সময়ে এই পুজোর মাধ্যমে তিনি সমাজের মঙ্গলকামনা করেন। এছড়াও তিনি বলেন, বাঙালিরা এখনও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি এবং বাঙালি সমাজ একত্রিত হয়ে বাঙালির এই ইতিবাচকতা গনেশ পূজার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে পোঁছে দেবে এছাড়াও বিখ্যাত সাংবাদিক তথা অভিনেতা ডঃ ঋতব্রত ভট্টাচার্য জানান মহাকাব্য লিখেছিলেন সিদ্ধিদাতা গনেশ। গনেশ শর্ত হিসাবে বলেছিলেন একবার লেখা থামালে তিনি থেমে যাবেন তাই এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন সমস্ত সাংবাদিক, কবি, লেখক যারা সমাজের কথা বলেন এবং লেখেন তারা যেন গনেশ ঠাকুরের এই কলমের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সততা বজায় রাখেন। 


আয়োজক সংস্থার পক্ষে মলয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "২০ বছর আগে মহারাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ 'সিদ্ধি বিনায়ক' মন্দিরে পুজো দিয়ে এসে রহড়ার বুকে প্রথম বারোয়ারিভাবে গণেশ আরাধনা শুরু করেছিল 'গণপতি মহোৎসব পুজো কমিটি'। এখানকার পুজো জনমানসে এতটাই প্রভাব ফেলেছে যে পুজো দিতে আসা আবালবৃদ্ধবনিতা গণেশ মূর্তিতে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আগে গণেশের মুষিকের কানে কানে নিজেদের ইচ্ছা প্রকাশ করে থাকে।"

আয়োজক সংস্থার তরফ থেকে আরো জানানো হয়েছে, " গণপতি মহোৎসব পুজো কমিটি-র পরে এই এলাকায় আরো শতাধিক গণেশ পুজো শুরু হলেও, ধারে-ভারে তথা কৌলিন্যে এই পুজোর আশেপাশে কেউ পৌঁছাতে পারে নি।"

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।