Skip to main content

NBI // আইকনি-কে আইকন !

নিজস্ব প্রতিবেদন,কলকাতা :- 
মুম্বাইয়ের বিখ্যাত সংগীত পরিচালক ও গায়ক রাণা মজুমদার কলকাতার প্রখ্যাত আইকনিক প্ল্যানার হলে।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আইকনিক প্ল্যানার এবং উপস্থাপনায় ছিলেন লর্ড  কৃষ্ণা স্টুডিও-র কর্ণধার শিবু সোম।আলোকসজ্জা ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সজ্জিত আইকনিক প্ল্যানার হল এদিন যেন সংগীতের আলোয় ভরে ওঠে। 




রাণা মজুমদার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক খোলামেলা আড্ডায় নিজের সংগীতজীবনের অজানা অধ্যায়, বলিউডে তাঁর পথচলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অকপটে কথা বলেন।
তিনি জানান, “স্থায়ী চাকরি ছেড়ে শুধুমাত্র সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু হয় আমার পথচলা।” 



উত্তরবঙ্গের সন্তান রাণা মজুমদারের বলিউড যাত্রা শুরু হয় ‘জোশ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, যেখানে তাঁর কণ্ঠে গাওয়া গান শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। বর্তমানে তিনি মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে কাজ করছেন এবং নতুন প্রতিভাদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে সংগীতচর্চায় যুক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি বাংলা সংগীতের উন্নয়নেও তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।







লর্ড কৃষ্ণা স্টুডিওর কর্ণধার শিবু সোম বলেন, “আমরা সবসময় ভালো সংগীত এবং প্রতিভাবান শিল্পীদের পাশে থাকতে চাই। আজকের আয়োজন সেই ধারারই প্রতিফলন। 




একসময় যেমন শচীন দেব বর্মন,রাহুল দেব বর্মন,সলিল চৌধুরী যারা বাংলা এবং বোম্বের মেলবন্ধন ছিলেন তার পরবর্তীকালে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দে আর ঠিক তার পরের উত্তরসূরী হয়ে এলেন বাপি লাহিড়ী যিনি সংগীতজগৎকে আলোকিত করেছিলেন। তেমনি প্রীতম ও জিৎ গাঙ্গুলি পরবর্তী উত্তরসুরি হয়ে কাজ করে চলেছেন। আর এখন সাম্প্রতিককালে তাদের উত্তরসূরী হয়ে রাণা মজুমদার'ই একমাত্র যিনি বাংলা এবং বোম্বের মেলবন্ধনকে ধরে রেখেছেন।





অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রাণা মজুমদার মঞ্চে গান পরিবেশন করেন। তাঁর সুরেলা গলায় ভেসে ওঠে আবেগ, মুগ্ধতা এবং নস্টালজিয়ার মিশেল, যা উপস্থিত অতিথি, সাংবাদিক ও সংগীতপ্রেমীদের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানের শেষে পরিচালক ও গায়ক রাণা মজুমদার এবং অনুষ্ঠানের আয়োজক শিবু সোম আইকনিকের এই হল দেখে মুগ্ধ এবং তিনি বলেন এখানে অনেক আগে এলে ভালো হতো।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।