Skip to main content

NBI !! 'আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট' যাদের মূলমন্ত্র,- 'ট্রাস্ট ফর পিউপিল' !!

ছবি: মৃত্যুঞ্জয় রায় 
নিজস্ব সংবাদদাতা, তারাপীঠ:
বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজ করে চলেছে আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, যাদের মূলমন্ত্র ট্রাস্ট ফর পিউপিল । 
এই সংস্থার সেক্রেটারি শুভাশিস রায় জানান আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট মানুষের বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে তৈরি সম্পূর্ণ সমাজ সেবামূলক সংস্থা। গত ১৪ ই নভেম্বর শিশু দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর ব্লকের লাঙ্গলবেড়িয়ায় শিশুদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। পরবর্তীতে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে গরিব মানুষদের রক্ষা করতে তারাপীঠে সহশ্রাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়। তিনি আরও বলেন আমরা ছোট ছোট্ট প্রোগ্রাম করে গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।

 এছাড়াও প্রত্যেক শনিবার কিছু দুঃস্থ মানুষের খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা করি কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এবং কলকাতার ফিরিঙ্গি কালীবাড়িতে। 

আমাদের ট্রাস্টের তরফ থেকে আমরা কিছু সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করবার চেষ্টা করছি। সামনে আমাদের আরো দু তিনটে প্রকল্প রয়েছে। ২০২৬ এর গঙ্গাসাগর মেলায় পুন্যার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। সোমবার তারাপীঠ এলাকার কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তারাপীঠ এলাকার জনপ্রতিনিধি প্রধান শিউলি মন্ডল, এছাড়াও বিশিষ্ট সমাজসেবী কানু রায় (মেজদা ) ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট সুমিতা রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সুচরিতা পাল, আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর ট্রেজারার সুজন পাল।

সুজন পাল জানান বিশিষ্ট সমাজসেবী সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমরা তারাপীঠ এলাকায় এই ধরনের অনুষ্ঠান করতে পারলাম। তিনি আরো বলেন তারামায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি এবং বছরের শেষটা ভালোই কাটল। আশা করি ২০২৬টাও আমাদের ক্ষেত্রে খুবই ভালো কাটবে। 
 আপনাদের উপস্থাপনায় আমার এগিয়ে চলেছি। বিশেষ করে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই মৃত্যুঞ্জয়দাকে। যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। 

 এলাকার এলাকার জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এই অনুষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য। সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন আর পি ওয়েলফেয়ারট্রাস্টের সেক্রেটারি শুভাশিস রায়।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।