Skip to main content

NBI !! নন্দনে হয়ে গেলো সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসব ২০২৫–২৬ !!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 
ভারতীয় চলচ্চিত্রের পথিকৃৎ হীরালাল সেন এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক দেবকুমার ঘোষের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এ.ডি. মুভিজ ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে আয়োজিত ১২ ও ১৩তম সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসব ২০২৫–২৬ নন্দন প্রেক্ষাগৃহে সমাপ্ত হলো।
 উৎসবের সূচনা হয়েছিল গত ৩ জানুয়ারি, প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নন্দনে চলে এই চলচ্চিত্র উৎসব।

শেষ দিনের অনুষ্ঠান ঘিরে নন্দনে ছিল উৎসবের প্রাণবন্ত পরিবেশ। চলচ্চিত্রপ্রেমী দর্শক, নির্মাতা, সাংবাদিক এবং সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের উপস্থিতিতে প্রেক্ষাগৃহ ছিল পরিপূর্ণ। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবকন্যা সেন, দেবিকা মুখার্জী, অজয় সেনগুপ্ত, ইন্দুভূষণ দাস, সমিরণ চক্রবর্তী (জয়েন্ট সেক্রেটারি), উৎসবের প্রেসিডেন্ট অনির্বান সামন্ত, বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক বাদল সরকার, স্পেশাল জুরি ধনঞ্জয় মণ্ডল, বিশিষ্ট চিত্র সাংবাদিক মৃত্তুঞ্জয় রায় এবং উৎসবের চেয়ারম্যান প্রমিত মুখার্জী।


এ বছর সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসবে মোট ২২০টি শর্টফিল্ম জমা পড়ে। সে প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চিত্রপরিচালক বাদল সরকার জানান, “এই বিপুল সংখ্যক ছবির মধ্য থেকে ১১৭টি শর্টফিল্ম প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লি থেকে মোট ৯৯টি ছবির প্রদর্শনের ছাড়পত্র এসেছে।”

 তাঁর মতে, সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসব ক্রমশই একটি গম্ভীর ও মানসম্মত চলচ্চিত্র মঞ্চ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে।
উৎসবের কর্ণধার শ্রী অজয় বরণ দে বলেন, “২০১১ সাল থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে আজ আমরা এমন একটি জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে প্রায় একশোটি শর্টফিল্ম দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারছি। 

এই যাত্রাপথ সহজ ছিল না, কিন্তু আমাদের বিশ্বাস ছিল সিনেমার শক্তির উপর।”
অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ ও আবেগঘন মুহূর্ত ছিল বিশিষ্ট চিত্র সাংবাদিক শ্রী মৃত্তুঞ্জয় রায়কে সংবর্ধনা প্রদান এবং তাঁকে হীরালাল সেন সম্মানে ভূষিত করা। সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসবের পক্ষ থেকে এই সম্মান তুলে দেন সংস্থার কর্ণধার অজয় বরণ দে। সেই সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন হীরালাল সেনের চতুর্থ প্রজন্মের উত্তরাধিকারিণী দেবকন্যা সেন, যা অনুষ্ঠানে এক বিশেষ আবেগের আবহ সৃষ্টি করে।
সুতানুটি শর্টফিল্ম উৎসব কর্তৃপক্ষের আশা, দর্শক ও নির্মাতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই উৎসব আগামী দিনেও স্বাধীন ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।