Skip to main content

NBI // নজরুল মঞ্চে প্রগ্রেসিভ ইউনাইটেড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের দশম–একাদশ দ্বিবার্ষিক রাজ্য সম্মেলন শুরু !!

নিজস্ব প্রতিবেদক  
নজরুল মঞ্চ সভাগৃহে শুরু হল পশ্চিমবঙ্গের সর্ববৃহৎ ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠন প্রগ্রেসিভ ইউনাইটেড ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের দশম–একাদশ দ্বিবার্ষিক রাজ্য সম্মেলন। মঞ্চে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সংগঠনের Convener প্রতাপ নায়েক, President ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ঘোষ, Vice President ইঞ্জিনিয়ার অনন্ত নন্দী, General Secretary ইঞ্জিনিয়ার অনির্বাণ ওঝা, Advisor ইঞ্জিনিয়ার শিবু বিশ্বাস এবং ইঞ্জিনিয়ার দেবরাজ সিংহ রায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, অশোক দে সহ একাধিক বিশিষ্ট অতিথি ও জনপ্রতিনিধি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ইউনিট কনফারেন্স ও জেলা সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার পর গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি মৌলালী যুব কেন্দ্রে স্বামী বিবেকানন্দ হলে জেলা নেতৃত্বদের নিয়ে Delegates Conference-এর মাধ্যমে এই রাজ্য সম্মেলনের সূচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১ ফেব্রুয়ারি নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মূল State Conference।
এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় আড়াই হাজার ইঞ্জিনিয়ার সদস্য অংশগ্রহণ করছেন। সম্মেলনে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডারদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবিদাওয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। দাবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
ষষ্ঠ পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের প্রমোশনাল রেশিও ৬০:৪০-এর পরিবর্তে ৫০:৫০ কার্যকর করা, WBSES ও WBES-এর ক্ষেত্রে পে কমিশনের দ্বিতীয় অংশের সুপারিশ বাস্তবায়ন, অবৈজ্ঞানিক রি-স্ট্রাকচারিংয়ের বদলে ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরে বৈজ্ঞানিক পুনর্গঠন, কন্ট্রাকচুয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে PSC নিয়োগে অগ্রাধিকার, ব্লক স্তরে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের নতুন পদ সৃষ্টি, KMDA দপ্তরে WBHS, LTC ও HTC চালু এবং পূর্ত দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রথা বাতিল।
এছাড়াও রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি কীভাবে আরও দ্রুত ও ব্যয়-সাশ্রয়ীভাবে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়েও দপ্তরগুলির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।