Skip to main content

NBI // ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি !!

কলকাতা, ফেব্রুয়ারি ৩ :- 
ভারতের অন্যতম প্রাচীন বাণিজ্যিক সংগঠন Bengal National Chamber of Commerce & Industry (BNCCI)–এর ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল। কলকাতার ২৩, আর. এন. মুখার্জি রোডে অবস্থিত BNCCI হাউস–এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সদস্যবৃন্দ ও বিশিষ্ট অতিথিরা।

১৮৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উদ্যোগপতিদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের ইতিহাস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিশিষ্ট বাঙালি জমিদার ও শিল্পপতিরা। পরবর্তীকালে মারোয়ারি ও গুজরাটি উদ্যোক্তারাও এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৮৮৭ সালে চেম্বারের প্রথম সভাপতি ছিলেন রাই বুদ্ধ্রী দাস মুক্কিম বাহাদুর। এছাড়াও রাজা সিউ বক্স বাগলা, কাশিমবাজার রাজ পরিবারের মহারাজা মনীন্দ্রচন্দ্র নন্দী, নলিনী রঞ্জন সরকার, অমৃতলাল ওঝার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই চেম্বারের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে BNCCI–র সভাপতি শ্রী অশোক কুমার বণিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রতি বছর প্রতিষ্ঠা দিবসে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
ড. ডোমিনিক সাভিও, প্রিন্সিপাল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (অটোনোমাস), কলকাতা এবং শ্রী কুশল চৌধুরী, সেক্রেটারি, দক্ষিণেশ্বর কালী টেম্পল ট্রাস্ট।

এছাড়াও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বিশিষ্ট পরিবেশবিদ শ্রী সুভাষ দত্ত। অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রত্যেককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাইরেক্টর ও চেয়ারম্যান এবং ফরেন ট্রেড স্ট্যান্ডিং কমিউনিটি ঋত্বিক দাস ও বিশিষ্ট শিল্পপতি কুনাল শাহ সংবাদ মাধ্যমের সামনে BNCCI–র গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পোন্নয়নে চেম্বারের অবদানের কথা তুলে ধরেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী সৌমিক দত্ত( ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল হেড.AU Small Finance Bank), শ্রী সঞ্জীব কুমার( জেনারেল সেক্রেটারি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ অ্যালুমিনি অ্যাসোসিয়েশন), শ্রী ফিরদৌস আল হাসান( ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া), শ্রী শ্যামল কর্মকার( ম্যানেজিং ডাইরেক্টর S&IB-Tentative), পূর্ব প্রধান BNCCI শ্রী অরুন কুমার চন্দ্রা, শ্রী সমীর কুমার ঘোষ, শ্রীমতি বাণী রয় চৌধুরী এবং শ্রী জি পি সরকার আরও বিশিষ্ট গুণীজনেরা।

ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আধুনিকতার সেতুবন্ধনে দাঁড়িয়ে BNCCI আজও দেশের বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে—এমনই বার্তা উঠে আসে এই ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।