Skip to main content

NBI // আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে হয়ে গেলো আইকনিকের হলে ‘রং মহোৎসব ২.০' !!

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা :- 
আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে ‘রং মহোৎসব ২.০’। সেই উপলক্ষে শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কলকাতার আইকনিক ইভেন্ট প্ল্যানার হল-এ অনুষ্ঠিত হলো উৎসবের প্রেস মিট। আগামী ১ মার্চ, রবিবার মূল অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।
প্রেস মিটে উপস্থিত ছিলেন সমাজ, সংস্কৃতি ও ফ্যাশন জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতু সাহা, পরিচিত ফ্যাশন উদ্যোক্তা এবং Taption Media-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তিনি তাঁর বক্তব্যে নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল প্রতিভাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সায়নী চট্টোপাধ্যায়, যিনি Go Live Story এবং Riwk Film Production House-এর ম্যানেজার হিসেবে প্রোডাকশন হাউস ও অ্যাকাডেমির সঙ্গে যুক্ত। তিনি জানান, এই ধরনের উদ্যোগ সংস্কৃতি চর্চাকে বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
সামাজিক ক্ষেত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট সুমিতা রায় এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সুচরিতা পাল। তাঁরা জানান, সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় ঘটিয়ে ইতিবাচক সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা চিত্র প্রেমী’ গ্রুপের অ্যাডমিন গার্গী গুপ্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি আধিকারিক, ফ্যাশন আইকন ও সমাজকর্মী পুতুল ধর।
আয়োজকদের মতে, ‘রং মহোৎসব ২.০’ শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি শিল্প, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার এক সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম। প্রেস মিটে উৎসবের উদ্দেশ্য, কর্মসূচি ও বিশেষ আকর্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
সব মিলিয়ে, আয়োজকদের আশা, সকলের সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে ‘রং মহোৎসব ২.০’ হয়ে উঠবে এক স্মরণীয় এবং সাফল্যমণ্ডিত আয়োজন।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।