Skip to main content

NBI // প্রকাশিত হলো সঙ্গীতশিল্পী ও গীতিকার ইমন মুখার্জীর বই "গানের আড়ালে" !!

নিউজ ডেস্ক : কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হলো সঙ্গীতশিল্পী ও গীতিকার ইমন মুখার্জীর প্রথম বই “গানের আড়ালে”। প্রথম বই প্রকাশ—স্বভাবতই এটি ইমন মুখার্জীর পাশাপাশি তাঁর অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছেও এক গর্বের মুহূর্ত।

“গানের আড়ালে” মূলত ইমনের লেখা গানগুলোর নেপথ্য সময়, প্রেক্ষাপট ও অনুভবকে কেন্দ্র করে রচিত। কোন গান কোন সময়ে, কোন পরিস্থিতিতে লেখা—তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা এই বইয়ের মূল উপজীব্য। তবে শুধু গানের গল্পেই সীমাবদ্ধ নয় এই বই; পাঠকেরাও পড়তে পড়তে নিজেদের জীবনের নানা অধ্যায়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পেতে পারেন, আবিষ্কার করতে পারেন নিজের না বলা কথাগুলো।

বইটি সংগ্রহ করা যাচ্ছে বইমেলার বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন স্টলের পাশাপাশি ত্রিপুরা দর্পণ ও বরানগর দর্পণ–এর স্টলে।
এরই মধ্যে বইমেলার প্রেস কর্নারে বরানগর দর্পণের সম্পাদক আশীষ ঘোষ মহাশয় ইমন মুখার্জীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখির পথে যিনি ইমনকে নিরন্তর উৎসাহ দিয়ে এসেছেন, তাঁর এই আমন্ত্রণ ইমনের কাছে বিশেষ সম্মানের। তবে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকতে পারেননি ইমন, কারণ সেই সময় তাঁর গানের রেকর্ডিং চলছিল।

তবু সেই অনুপস্থিতির আক্ষেপ ভুলিয়ে দেওয়ার মতো এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি ইমন মুখার্জী লাভ করেছেন। বরানগর দর্পণ স্টলে সম্পাদক আশীষ ঘোষ মহাশয়ের উপস্থিতিতে, দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম দাদা ও বর্তমান সময়ের সাংবাদিক অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়ের স্নেহভরা সঙ্গ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সাধক লোকনাথ চক্রবর্তী (কিংকর সমানন্দজি মহারাজ)–এর আশীর্বাদে ইমনের প্রথম বইয়ের শুভ সূচনা হয়। এই মুহূর্তকে ইমন নিজেই পরম সৌভাগ্যের বলে মনে করছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বরানগর দর্পণের পারুল সংখ্যায় প্রতিবছর একটি করে বিশেষ লেখা প্রকাশিত হয়। এ বছর সেই সংখ্যায় স্থান পেয়েছে ইমনের মা ইন্দ্রানী গুপ্ত মুখার্জীর লেখা—যা এই সাহিত্যিক যাত্রাকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।

NBI // টোকিওতে প্রথম আনন্দ মেলা: IBCAJ-এর উদ্যোগে বাঙালিয়ানার উৎসব !

টোকিও,জাপান :-  টোকিও শহরে IBCAJ-এর পক্ষ থেকে এবছর অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম দুর্গাপূজো। পূজো উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবে ২০০-রও বেশি মানুষের সমাগম ঘটে, যা জাপানে বাঙালি সম্প্রদায়ের ঐক্য ও উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মেলা। IBCAJ-এর সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় ছিল মোট আটটি স্টল— ঝালমুড়ি, ফুচকা-চুরমুড়, বরা পাও, নলেন গুড়ের ক্ষীরমোহন ও সন্দেশ, পাটিসাপ্টা, খুদেদের বানানো কেক, চিকেন টিক্কা ও রু-আবজা — যা টোকিওবাসীর সামনে বাঙালিয়ানার আসল স্বাদ তুলে ধরে। কোতো সিটি সোগো কুমিন সেন্টারের সপ্তম তলার একটি হলে আয়োজিত এই আনন্দ মেলা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পূজোর সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা-রও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকল সদস্য একসঙ্গে অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগ করে নেন। IBCAJ-এর সদস্যদের নিষ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণে দুর্গাপূজো ও আনন্দ মেলা — দুটোই হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় ও সার্থক সাংস্কৃতিক আয়োজন।