Skip to main content

NBI // দুঃস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা !!

ডিজিটাল ডেস্ক : সমাজসেবা করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিনক্ষণ, সময় বা মাস লাগে না। এই সেবা মানুষের সেবা। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন—“জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।”
তাই ঋতু নয়, সময় নয়—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত বা বসন্ত—প্রত্যেকটি দিনই যাঁরা মানবসেবার ব্রতে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন, তাঁরাই প্রকৃত সমাজকর্মী।
কিছুদিন আগে ২৩ ও২৬শে জানুয়ারি,সরস্বতী পুজো ,মহা সমারোহে উদ্‌যাপিত হলো সারা বিশ্বের দরবারে ।কিছু মানুষ আছেন যারা  প্রজাতন্ত্র দিবস বা নেতাজীর জন্মদিন,সরস্বতী পুজো যাই হোক না কেনো,সেবার দিন তাঁদের  কাছে প্রত্যেক দিন।
হ্যাঁ,  আমরা স্বাধীন হয়েছি,শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছি, বিদেশি শাসনের অবসান ঘটেছে। কিন্তু আমাদের চিন্তা, সমাজ-ন্যায় ও সমতা, সেগুলো কি সত্যিই মুক্ত হয়েছে? আজও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলতে ভয় হয় মানুষের। দারিদ্র্য, দুর্নীতি, বৈষম্য ও নারীর নিরাপত্তাহীনতা,ধর্ষণ—এসব যেন স্বাধীনতার পর নতুন এক শৃঙ্খল।
তাই স্বাধীনতার পর প্রকৃত স্বাধীনতা পেতে হলে মুক্তি চাই শুধু ভূখণ্ডের নয়,মানুষের মন, বিবেক এবং জীবনের প্রতিটি স্তরে। সমাজ কে পাল্টাতে হলে মানবিক দিক কে গুরত্ব দিতে হবে, তখনই পূর্ণতা পায় মানুষ, তখন প্রত্যেক মানুষ সমান অধিকার, সম্মান ও নিরাপত্তা পায়।
এই মানবিক মানসিকতা যাঁদের মধ্যে আছে—যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে সমাজের কাছে নিজেদের অর্পণ করেছেন—তারাই প্রকৃত সমাজসেবী।
ঠিক সেই ভাবনার বাস্তব রূপ দেখা যায়,এই রকম কিছু জনদরদী মানুষ    বিক্রম দাস,গ্রাম:চন্ডিপুর,জেলা:২৪পরগনা।
 বিক্রম বাবু পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্রতে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন, শুধু কোনও  বিশেষ দিন শুধু নয় প্রত্যেক দিনই অসহায়,অসুস্থ মানুষের কাছে ফল, মিষ্টি, চিঁড়ে, জল ও বস্ত্র নিয়ে বিক্রম বাবু ও তাঁদের  সহ কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় গরিব ও অসহায় মানুষের সেবায় নিজেদের অর্পণ করেছেন। শুধু একটি দিন নয়—সারা বছর ধরেই এই সেবামূলক কাজ করে চলেছেন এই বিক্রম বাবু।এই সমাজ মূলক কাজে যারা আছেন তাঁরা হলেন হাবিবুর রহমান।
গ্রাম:রসুই:জেলা:উত্তর ২৪পরগনা।
পিন্টু শাউ,গ্রাম:দক্ষিণ কমল দাড়ি:জেলা:পূর্ব - মেদিনীপুর । অন্যদিকে সারদাময়ী  মাইতি।
গ্রাম: টোটা নালা : জেলা: পূর্ব - মেদিনীপুর এবং
 অনির্বাণ দাস, গ্রাম: পূর্বা নুখা,জেলা: পূর্ব - মেদিনীপুর।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যে সারা বছর ধরে এনারা রাস্তার মানুষ, প্ল্যাটফর্মে থাকা মানুষ, হোম,বৃদ্ধাশ্রম ও পথ শিশুদের জন্য অন্ন, বস্ত্র ও ওষুধ বিতরণ করে চলেছেন এই মানুষরা নিঃস্বার্থ ভাবে।
 এই মানবিক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এই সকল পরিবারের প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আমরা তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি এবং প্রার্থনা করি—এভাবেই যেন তাঁরা সমাজের কাছে প্রকৃত কর্মী ও মানুষের আশ্রয় হয়ে উঠতে পারেন।

Comments

Popular posts from this blog

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI // বেলগাছিয়ায় ঐতিহ্যবাহী খুঁটি পুজো—২০২৬ দুর্গাপুজোর সূচনা আনুষ্ঠানিকভাবে।।

কলকাতা: রথযাত্রার পবিত্র তিথিকে সামনে রেখে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া অঞ্চলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হল ঐতিহ্যবাহী “খুঁটি পুজো”। বেলগাছিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পর্ব। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ নির্মাণের শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে খুঁটি পুজো বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে পূজার আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি ও উৎসাহের পরিবেশে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা , সম্পাদক অভিষেক দাস,কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁদের পাশাপাশি এলাকার বহু বাসিন্দা এই শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং দুর্গোৎসবের সূচনায় সামিল হন।পুজোর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা দুর্গার আশীর্বাদ কামনা করে উদ্যোক্তারা জানান, এই খুঁটি পুজোর মাধ্যমেই এবারের দুর্গোৎসবের পথচলা শুরু হল। তাঁরা আশাবাদী, সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণে আসন্ন দুর্গাপুজো আরও সাফল্যমণ্ডিত ও বর্ণময় হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মঙ্গল, শান্তি...

NBI // সাফল্যের ৬০ দিন পূর্তি: 'পোড়া বাঁশি'র উদযাপনে পরিচালক-অভিনেতাদের বর্ণাঢ্য সমাবেশ।।

ডিজিটাল ডেস্কঃ  সাম্প্রতিক টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে "তারামা মোশন পিকচারস" ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস নিবেদিত পরিচালক, শুভম দাস পরিচালিত মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমা"পোড়া বাঁশি"র 60 Days celebration party অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রোডাকশন হাউসের নিজস্ব অফিসে। কেক কেটে সেলিব্রেশানের শুভ সূচনা হয়।  দ্বিতীয় পর্যায়ে বিশিষ্ট গুণীজনদের সহিত অন্যান্য পরিচালক, টেকনিশিয়ানস ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিশেষ সম্বর্ধনার দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আড্ডা খাওয়া দাওয়া এবং শিল্পীদের নাচ-গানের মধ্য দিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের জমজমাট সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোগ্রাহী হয়ে উঠে।   উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট পরিচালক স্বপন সাহা, বিশিষ্ট অভিনেত্রী অনামিকা সাহা, পরিচালক শুভম দাস, শাস্ত্রীজি, প্লেব্যাক সিঙ্গার-অর্ণব ব্যানার্জি, গুরিয়া, কোরিওগ্রাফার-রত্না, পরিচালক কাঞ্চন নাগ, অনসূয়া সামন্ত, সরস্বতী দাস,রুনা (রায়না বূটিক), হাউস ইনচার্জ-রিনা দাস, হাউস ম্যানেজার-পবিত্র হালদার।  হিরোইনদের মধ্যে উপস্থিত ছিল-বনশ্রী, মৌপ্রিয়া, পৌলোমী, সিউ, সোনু,  অনসূয়া। অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ‍্যে উপস্থিত ছিল-মাধব,সৌমক, সুপ্রভাত...