Skip to main content

NBI // পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য যুব ও জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ শুরু !!

কলকাতা, ৩০শে মার্চ ২০২৬: 

ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রগ্রেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে, কলকাতা জেলা বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন এবং আলিপুর সর্বজনীন ক্লাব বক্সিং একাডেমি (চেতলা)-এর সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য যুব (পুরুষ ও মহিলা) এবং জুনিয়র (বালক ও বালিকা) বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ আজ থেকে শুরু হয়েছে। এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৯শে মার্চ থেকে ৩১শে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত।

রাজ্যের ১৫টি জেলার প্রায় ১৭০ জন বক্সার এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। ‘যুব পুরুষ’, ‘যুব মহিলা’, ‘জুনিয়র বালক’ এবং ‘জুনিয়র বালিকা’—এই চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি বিভাগে ১০টি করে পৃথক ওজন শ্রেণিতে ব্যক্তিগত ও দলগত চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়াই হবে।

এই প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা পশ্চিমবঙ্গ যুব পুরুষ ও মহিলা বক্সিং দলের প্রতিনিধিত্ব করে আগামী ১৩ই এপ্রিল থেকে ১৯শে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত আসামের গুয়াহাটি সংলগ্ন সোনাপুরের তাপেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় যুব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করবে। অন্যদিকে, জুনিয়র বালক ও বালিকা দল ৪ঠা এপ্রিল থেকে ১১ই এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের নাগপুরে অনুষ্ঠিত ৭ম অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে।

আজ বিকেল ৫টায় প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কলকাতার মেয়র ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগর উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মাননীয় ফিরহাদ হাকিম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বক্সার আলি কামার, শুটার জয়দীপ কর্মকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়া সংগঠকরা।

প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আগামী ৩১শে মার্চ ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।