Skip to main content

NBI // ‘সমন্বয়’-এর বার্তায় উজ্জ্বল “তুলির টানে”-র ২৬তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান !!

কলকাতা :
মধুসূদন মঞ্চ-এ সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হল “তুলির টানে”-র ২৬তম বার্ষিক অনুষ্ঠান। এ বছরের মূল ভাবনা ‘সমন্বয়’—যেখানে শিল্প, মানবিকতা এবং একাত্মতার এক অনন্য মেলবন্ধন দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

এই উদ্যোগের মূল প্রেরণা ড. নুপুর মুখার্জি। তাঁর লক্ষ্য, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মূলধারার শিশুদের সঙ্গে একত্রে শাস্ত্রীয় নৃত্যে প্রশিক্ষিত করে তোলা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর এই প্রচেষ্টা সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনায় শুভ্রা ম্যাডাম-এর অংশগ্রহণ পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। প্রতিটি পরিবেশনা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। বিশেষ করে মেয়েদের দলীয় নৃত্য ছিল সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রাচীন কলাকেন্দ্রের কথক বিভাগে বিশারদ পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে “তুলির টানে”-র এক প্রতিভাবান শিক্ষার্থী, যা প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণের মানকে আরও একবার তুলে ধরে।

ডান্স মুভমেন্ট থেরাপি (DMT)-এর মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বাস্তব চিত্রও তুলে ধরেন ড. মুখার্জি। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, গত এক দশক ধরে তাঁদের এই প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। মূলধারার শিশুদের পাশাপাশি অটিস্টিক শিশুদের নিয়েই তাঁরা এগিয়ে চলেছেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সামগ্রিকভাবে, “তুলির টানে”-র এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং এক মানবিক বার্তার বহিঃপ্রকাশ—যেখানে ‘সমন্বয়’-এর মাধ্যমে গড়ে উঠছে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ।

Comments

Popular posts from this blog

আস্তে চলেছে সম্পর্কের টানাপোড়া নিয়ে ছবি "তাকে আমি মন দিয়েছি"

নিউজ ডেস্ক:- আজ দুর্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্তর্গত কলকাতার নন্দনে স্ক্রিনিং হল নতুন পরিচালক প্রণবেশ বসু রায়ের প্রথম বাংলা সিনেমার। নিজের এই অভিষেক ছবি নিয়ে উচ্ছ্বসিত পরিচালক বলেন, “আমি এই সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা আমার মতো নতুনদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।” সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু টিনেজ প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং যুবসমাজের মধ্যে বেড়ে চলা নেশার প্রতি আসক্তি। প্রণবেশ বলেন, “ছবিটি আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ছোটবেলার এক স্বপ্নের ফসল। আমি চাই, এই ছবি দেখে অন্তত একজন যুবক যদি নেশার পথ থেকে ফিরে আসে, তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।” দর্শকদের জন্য এই সিনেমা এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে—যেখানে একদিকে রয়েছে প্রেমের সরল উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আছে আসক্তির ভয়ানক অন্ধকার, আর সেই অন্ধকার থেকে মুক্তির সৎ ও সাহসী পথ। সমাজের বাস্তব ছবিকে নিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই নবীন পরিচালক। এই ছবির একটি উল্লেখযোগ্য চমক হল, বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক সোমনাথ ভট্টাচার্যের অভিনয়। নতুন পরিচালক প্রণবেশের বন্ধু হিসেবে তিনি প...

NBI !! মৃনাল কান্তি গায়েনের মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি "জাগো হে সুন্দরবনবাসী" দুটো ফিল্ম ফেস্টিভালে শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছে !!

কলকাতা ।। ২৫ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৬ ।।  গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী,মুখ্য চরিত্রাভিনেতা, চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক শ্রী মৃণাল কান্তি গায়েন তার মিউজিক্যাল ডকুমেন্ট্রি গানের ভিডিও অ্যালবাম- "জাগো হে সুন্দরবনবাসী "(Awake the people of Sundarban )দু'টো দু'টো বিখ্যাত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও হিসেবে পুরস্কৃত হল ।  ২০২৫ সালে হরিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে(  Haryana International Film Festival, 2025)  প্রদর্শনের জন্য  গোটা বিশ্বের থেকে বাছাই করা আটটি(০৮) গানের অ্যালবামের মধ্যে অন্যতম একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে। এবং বেলঘরিয়া ফ্লিম ফেস্টিভাল, 2026 এ "বেস্ট ডকুমেন্টারি মিউজিক ভিডিও অন ইনভায়রণমেন্ট্" হিসাবে পুরস্কৃত হল । 

NBI !! উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল !!

কলকাতাঃ  কলকাতার কালীঘাটে ছিয়াত্তর বছর উত্তীর্ণ উইমেন্স ক্রিশ্চিয়ান কলেজের চতুর্থ তম ক্রিসমাস কার্নিভাল এবছর অনুষ্ঠিত হল কলেজ প্রাঙ্গণে। গ্রীক চার্চ রো তে।সারা কলেজ জুড়ে ছিল বড়দিনের উৎসবের মেজাজ ।  যীশুখৃষ্টের জন্মদিনের প্রাক পর্বে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্রী কুশল বিশ্বাসের পরিচালনায় ছাত্রীদের যোগদানে প্রার্থনা , খ্রিস্টমাস হিম এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  মেয়েদের এই কলেজে বড়দিন উপলক্ষ্যে কার্নিভাল এ বিক্রিত হয় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় নানা জিনিস ব্যাগ, পোশাক, অলঙ্কার ইত্যাদি। সুচারু, সুমেলি এবং কলেজের ইকো ক্লাব সারা বছর ব্যাপী মেয়েদের স্বনির্ভর করার ও পরিবেশ সচেতন করার লক্ষ্যে নিরলস যে কর্মশালা ও অন্যান্য আয়োজন করে তারই কার্যকরী বিকি কিনির সময় এই কার্নিভালের দিনটি। প্রাক্তণ ও বর্তমান অধ্যাপক ও ছাত্রীদের মিলনে এই আয়োজন আনন্দ মুখর হয়ে উঠেছিল।