কোরানের মানবতার বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করেই এগিয়ে চলেছেন কিছু মানুষ।সমাজসেবাই মানবজীবনের পরম ধর্ম। মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই সমাজের প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব। সমাজসেবার জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিনক্ষণ, সময় বা মাসের প্রয়োজন হয় না,এ এক চিরন্তন মানবিক দায়িত্ব।
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন,“জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।”ইসলাম ধর্মেও মানবসেবাকে অত্যন্ত মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে,“তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অপরকে সহযোগিতা করো।"আরও বলা হয়েছে“যে একজন মানুষের জীবন রক্ষা করলো, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করলো।”
ইসলামের শিক্ষা মানবতা, সহমর্মিতা, দান ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায়। তাই ঋতু নয়, সময় নয়,গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত কিংবা বসন্ত,প্রতিটি দিনই তাঁদের জন্য, যাঁরা মানবসেবার ব্রতে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। প্রকৃত সমাজকর্মী তারাই, যাঁদের কাছে মানুষের সেবাই জীবনের প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমান সমাজে দারিদ্র্য, বৈষম্য, দুর্নীতি, নারীর নিরাপত্তাহীনতা ও নানা অন্যায়ের ঘটনা এখনও আমাদের ভাবিয়ে তোলে। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলতে ভয় পায়। অথচ প্রকৃত সামাজিক পরিবর্তন তখনই সম্ভব, যখন মানুষের মন, বিবেক ও মানবিকতা সত্যিকার অর্থে মুক্ত হবে। মানবিক মূল্যবোধকে সর্বাগ্রে স্থান দিলে তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে সমতা, সম্মান ও নিরাপত্তা।এই মানবিক আদর্শকে সামনে রেখে সমাজসেবার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করেছেন বহু মানুষ। তেমনই এক অনন্য উদাহরণ হল দুই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানবিক পরিবার।সারাতুল মোল্লা ও সোনাভান বিবির কন্যা ঝুমা খাতুন এবং আবুল কালাম শেখের পুত্র মুস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের সুযোগ্য সন্তান আতিফ রহমান ও আফরিন রহমানও মানবসেবার এই মহান আদর্শকে অনুসরণ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চলেছেন।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। বছরের প্রায় প্রতিটি দিনই তাঁরা এবং তাঁদের সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে অসহায়, অসুস্থ ও দরিদ্র মানুষের হাতে তুলে দেন ফল, মিষ্টি, চিঁড়ে, জল ও বস্ত্র।তাঁদের এই উদ্যোগ কোনো এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সারা বছর ধরেই তাঁরা মানবসেবার কাজে আত্মনিয়োগ করে চলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ধারে বসবাসকারী মানুষ, প্ল্যাটফর্মে আশ্রয় নেওয়া মানুষ, বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা, হোমের শিশু ও পথশিশুদের জন্য তাঁরা নিয়মিত অন্ন, বস্ত্র ও ওষুধ বিতরণ করে চলেছেন।ধর্মের আসল শিক্ষা বিভেদ নয়, মানবতা। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত,এই বিশ্বাস নিয়েই তাঁরা এগিয়ে চলেছেন।
সমাজের এমন মানবিক উদ্যোগের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আশা করা যায়, ভবিষ্যতেও এভাবেই তাঁরা সমাজের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করে অসহায় মানুষের আশ্রয় ও ভরসা হয়ে উঠবেন।
মানুষের সেবাই সবচেয়ে বড় ইবাদত”
কোরানের মানবতার বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করেই এগিয়ে চলেছেন কিছু মানুষ।সমাজসেবাই মানবজীবনের পরম ধর্ম। মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই সমাজের প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব। সমাজসেবার জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিনক্ষণ, সময় বা মাসের প্রয়োজন হয় না,এ এক চিরন্তন মানবিক দায়িত্ব।
স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন,“জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।”ইসলাম ধর্মেও মানবসেবাকে অত্যন্ত মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে,“তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অপরকে সহযোগিতা করো।"আরও বলা হয়েছে“যে একজন মানুষের জীবন রক্ষা করলো, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।”
ইসলামের শিক্ষা মানবতা, সহমর্মিতা, দান ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায়। তাই ঋতু নয়, সময় নয়—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত কিংবা বসন্ত,প্রতিটি দিনই তাঁদের জন্য, যাঁরা মানবসেবার ব্রতে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। প্রকৃত সমাজকর্মী তারাই, যাঁদের কাছে মানুষের সেবাই জীবনের প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমান সমাজে দারিদ্র্য, বৈষম্য, দুর্নীতি, নারীর নিরাপত্তাহীনতা ও নানা অন্যায়ের ঘটনা এখনও আমাদের ভাবিয়ে তোলে। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলতে ভয় পায়। অথচ প্রকৃত সামাজিক পরিবর্তন তখনই সম্ভব, যখন মানুষের মন, বিবেক ও মানবিকতা সত্যিকার অর্থে মুক্ত হবে। মানবিক মূল্যবোধকে সর্বাগ্রে স্থান দিলে তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে সমতা, সম্মান ও নিরাপত্তা।এই মানবিক আদর্শকে সামনে রেখে সমাজসেবার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করেছেন বহু মানুষ। তেমনই এক অনন্য উদাহরণ হল দুই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানবিক পরিবার।সারাতুল মোল্লা ও সোনাভান বিবির কন্যা ঝুমা খাতুন এবং আবুল কালাম শেখের পুত্র মুস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। ঝুমা খাতুন ও তাঁর স্বামী মুস্তাফির রহমান তাঁদের সুযোগ্য সন্তান আতিফ রহমান ও আফরিন রহমানও মানবসেবার এই মহান আদর্শকে অনুসরণ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চলেছেন।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। বছরের প্রায় প্রতিটি দিনই তাঁরা এবং তাঁদের সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে অসহায়, অসুস্থ ও দরিদ্র মানুষের হাতে তুলে দেন ফল, মিষ্টি, চিঁড়ে, জল ও বস্ত্র।তাঁদের এই উদ্যোগ কোনো এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সারা বছর ধরেই তাঁরা মানবসেবার কাজে আত্মনিয়োগ করে চলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ধারে বসবাসকারী মানুষ, প্ল্যাটফর্মে আশ্রয় নেওয়া মানুষ, বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা, হোমের শিশু ও পথশিশুদের জন্য তাঁরা নিয়মিত অন্ন, বস্ত্র ও ওষুধ বিতরণ করে চলেছেন।ধর্মের আসল শিক্ষা বিভেদ নয়, মানবতা। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত,এই বিশ্বাস নিয়েই তাঁরা এগিয়ে চলেছেন।
সমাজের এমন মানবিক উদ্যোগের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আশা করা যায়, ভবিষ্যতেও এভাবেই তাঁরা সমাজের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করে অসহায় মানুষের আশ্রয় ও ভরসা হয়ে উঠবেন।প্রধানমন্ত্রীর “স্বচ্ছ ভারত অভিযান”-এর ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
Comments
Post a Comment